পুলিশের গুলিতে কৃষ্ণাঙ্গের মৃত্যুকে হত্যাকাণ্ড ঘোষণা

কৃষ্ণাঙ্গ হত্যার প্রতিবাদে তীব্র বিক্ষোভের মুখে ডেরেক চৌভিন (৪৪) নামের মার্কিন শ্বেতাঙ্গ পুলিশ। বিশ্বজুড়ে বর্ণবাদবিরোধী বিক্ষোভের মধ্যেই পুলিশের গুলিতে আরেক কৃষ্ণাঙ্গ নিহতের ঘটনা ঘটে। শুক্রবার আটলান্টায় এক শ্বেতাঙ্গ পুলিশ কর্মকর্তার বন্দুকের গুলি পেছন থেকে লাগলে মারা যান রেশার্ড ব্রুকস। তার মৃত্যুকে রবিবার হত্যাকাণ্ড ঘোষণা করেছে ফুল্টন কাউন্টি মেডিক্যাল এক্সামিনার’স অফিস।

গত ২৫ মে মিনিয়াপোলিস পুলিশের নিপীড়নে মারা যান ফ্লয়েড। ওই ঘটনায় কৃষ্ণাঙ্গের বিরুদ্ধে পুলিশের বর্বরতা নতুন করে উঠে আসে। ক্ষোভে ফুঁসে ওঠে যুক্তরাষ্ট্রসহ গোটা বিশ্ব। শুক্রবার ব্রুকসের মৃত্যু সেই বিক্ষোভ আরও তীব্র করে।

রবিবার ময়নাতদন্ত শেষে মেডিক্যাল এক্সামিনার জানান, ২৭ বছর বয়সী ব্রুকসের মৃত্যু হয়েছে দুটি গুলির আগে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ ও অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গ কার্যকারিতা হারানোয়। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স ওই বিবৃতির বরাতে জানায়, ব্রুকসের মৃত্যু ছিল স্পষ্ট হত্যাকাণ্ড।

শুক্রবার আটলান্টার ওয়েন্ডি রেস্তোরাঁর এক কর্মী পুলিশকে ফোন দিয়ে জানায়, তাদের প্রবেশমুখে কেউ একজন গাড়ি রেখে তার ভেতরে ঘুমিয়ে আছেন। পুলিশ কর্মকর্তাদের শরীরে লাগানো ক্যামেরা ও সার্ভেইলেন্স ক্যামেরায় প্রথমে দেখা গেছে, মাদক পরীক্ষায় পুলিশকে সহযোগিতা করনে ব্রুকস এবং তার মেয়ের জন্মদিনের কথা বলছেন।

কিন্তু যখন এক কর্মকর্তা তাকে গ্রেফতার করতে গেলেন, তখনই ব্রুকস নিজেকে বাঁচাতে দৌঁড় দেন। তখন এক কর্মকর্তা গুলি করলে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি।

এ ঘটনায় আটলান্টার পুলিশ প্রধান এরিকা শিল্ডস পদত্যাগ করেছেন। ব্রুকসকে গুলি করা কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে এবং অন্যজনকে প্রশাসনিক ছুটি দেওয়া হয়েছে।