খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিএনপির নেতাকর্মীদের অবরোধ

কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে সুপ্রিম কোর্টের সামনে বিক্ষোভরত জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ জন্য নিরাপত্তার স্বার্থে হাইকোর্টে প্রবেশের সব গেট বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুর বেলা ১টা থেকে ঘণ্টাখানেক প্রেসক্লাব সংলগ্ন হাই কোর্ট মোড়ে অবস্থান নিয়ে সড়ক অবরোধ করে রাখে। এ সময় বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুরের শিকার হয়। পরে পুলিশ টিয়ার শেল ছুড়ে বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে বলে রমনা বিভাগের উপ কমিশনার সাজ্জাদুর রহমান জানান।

দেড়টার দিকে হঠাৎ করে উচ্চ আদালতের প্রধান ফটকে অবস্থান নেন দলটির নেতাকর্মীরা। তারা দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন।

এর আগে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাব থেকে মিছিল নিয়ে হাইকোর্টের সামনের সড়কে এসে অবস্থান নেয় বিএনপির নেতাকর্মীরা।

মিছিলের নেতৃত্ব দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ ও শওকত মাহমুদ, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মো. আবু জাফর, মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত প্রমুখ।

পরে পুলিশ বিএনপি নেতাকর্মীদের সড়ক ছেড়ে দেওয়ার আহ্বান জানায়। এনিয়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়ে নেতাকর্মীরা। তখন পুলিশ তাদের ধাওয়া দিয়ে ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

পুলিশের ধাওয়া খেয়ে প্রেসক্লাবের দিকে সরে যাওয়ার সময় কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করে ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা তাদের বলেছি- আপনারা জনগণের চলাচলের সড়ক বন্ধ করে রাখতে পারেন না। সড়ক ছেড়ে দিন।’

তিনি বলেন, ‘এরপর তারা আমাদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়লে তাদের ধাওয়া দিয়ে সরিয়ে দিই।’

গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে কিনা- এক সাংবাদিকের এমন প্রশ্নে ওই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘ভুক্তভোগীরা আইনি সহায়তা চাইলে পুলিশ ব্যবস্থা নেবে।