হাজারীবাগের কলেজছাত্র হত্যা মামলায় দুজনের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

রাজধানীর হাজারীবাগে কলেজছাত্র আরিফুল ইসলাম সজলকে (২০) লাঠি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে হত্যা করে দুষ্কৃতকারীরা। এ ঘটনায় আট আসামির জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোর্শেদ আল মামুন ভূঁইয়ার আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এছাড়া, এ মামলার অপর দুই আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার পর তাদেরও কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) কাজী শরিফুল ইসলাম আসামিদের দু দিনের রিমান্ড শেষে ৮ আসামিকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। এছাড়া এ মামলার অপর দুই আসামি আদালতে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে রাজি হওয়ায় তা রেকর্ড করার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

জামিন না মঞ্জুর হওয়া আট আসামি হলেন– মো. নয়ন (২৪), মো. পারভেজ (২০), সজীব শরীফ (২২), মো. বেলাল হোসেন শুভ (২০), মো. রবিউল আওয়াল (১৮),  মো. রবিউল আওয়াল (১৯), সাগর (২০) ও মো. মহিউদ্দিন নূর (২২)।

এ মামলায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়া অন্য দুই আসামি হলেন– মো. মিরাজ (২২) ও  ইমনের (১৯)। তাদের জবানবন্দি পৃথক দুই মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রেকর্ড করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে, গত শনিবার (২ নভেম্বর) দশ আসামির দু দিন করে রিমান্ডের আদেশ দেন আদালত।

মামলার অভিযোগে থেকে জানা যায়, গত ২৯ অক্টোবর রাতে সজল হাজারীবাগ রায়েরবাগ এলাকায় তার বান্ধবী সানজিদা আক্তার দোলনের সঙ্গে দেখা করতে যান। হাজারীবাগ ব্রিজের ঢালে তিনি যখন বান্ধবীর সঙ্গে কথা বলছিলেন সে সময় দু-তিনজন যুবক তাদের উদ্দেশে খারাপ মন্তব্য করে। এক পর্যায়ে সজল ওই যুবকদের সঙ্গে বাক-বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। এরপর দুষ্কৃতকারী ওই যুবকরা সজলকে লাঠি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। এরপর সজলের বান্ধবী তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সজলকে মৃত ঘোষণা করেন। এরপর গত ৩০ অক্টোবর সজলের বাবা বাদী হয়ে হাজারীবাগ থানায় ১৯ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।