যশোর-ঝিনাইদহ সড়কে ক্ষতিগ্রস্থ ২ ব্রিজ পরিণত হয়েছে মরণফাঁদে

যশোর-ঝিনাইদহ মহাসড়কের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্থ ২ টি ব্রিজ যেত মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। অত্যন্ত ব্যস্ততম ও জনগুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কটির ওপর দিয়ে প্রতিনিয়ত খুলনা ও স্থলবন্দর বেনাপোলের সাথে ঢাকা ও রাজশাহীর গাড়িগুলো মালামাল ও যাত্রী পরিবহন চলাচল করে থাকে। মহাসড়কে ৩টি ভাঙ্গা ব্রিজে মানুষের চরম ভোগান্তির সৃষ্টি করছে।

কালীগঞ্জ ঝিনাইদহ সড়কের ছালাভরা নামক স্থানে ব্রিজটি দু-পাশেই ফাটল ও ধসে গেছে। এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন বাস-ট্রাক, মাইক্রোবাস, প্রাইভেট কার, ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকসহ হালকা ও ভারী মালবাহী পন্য চলাচল করে। এইজন্য জনগুরুত্বপূর্ণ ব্রিজটি নতুন করে সংস্কার করে নির্মান না হওয়ায় যেনো মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন জীবনের ঝঁকি নিয়ে শতশত মানুষের দুর্ভোগের যেন শেষ নেই। যার কারণে যেমন যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। তেমনি যেকোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় মানুষ, যাত্রী ও চালকেরা।

ঝিনাইদহ-যশোর সড়কের হামদহ সদর হাসপাতাল গেটের সামনে ব্রিজটি প্রায় ৫ মাস আগে ফাটল দেখা দিয়েছে। যার কারণে সড়ক বিভাগের পক্ষ থেকে গত দু সপ্তাহে এক পাশ বন্ধের কারণে দীর্ঘ জানজটে পড়তে হচ্ছে। এ সড়ক দিয়েও যাত্রী পরিবহন ও মালবাহী পরিবহণসহ স্থানীয় ৩ চাকার যানবহন চলাচল করে থাকে। সদর হাসপাতালের সামনে হওয়ায় জানজট সব সময় লেগেই থাকে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এ ২টি ব্রিজ প্রায় ১৫ বছর আগে নির্মাণ করা হয়েছিল। ব্যস্ততম সড়ক হওয়ার কারণেও ভারী যানবহন চলাচল করায় ফাটল ও ধ্বসে গেছে। তারা আরও অভিযোগ করেন, স্থানীয় সড়ক-জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জিয়াউল হায়দার এর গাফিলতি ও উদাসিনতার কারণে জনদুর্ভোগ সাধারণ মানুষের পোহাতে হচ্ছে। এ কারণে দ্রুত সময়ের মধ্যেই নতুন করে ব্রিজ তৈরির দাবি জানিয়েছেন। তা না হলে যে কোন সময় ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।

ঝিনাইদহ সড়ক-জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জিয়াউল হায়দার জানান, ব্রিজ ২ টির ব্যাপারে আমরা উপর মহলকে জানিয়েছি। আশা করছি সদস্যা সমাধান হবে।

মোঃ জাহিদুর রহমান তারিক, ঝিনাইদহ প্রতিনিধি