পঞ্চগড়ে ভাংচুর মামলায় ৮ জামায়াত নেতার ৩ বছরের জেল

আ.লীগের দলীয় কার্যালয় ভাংচুর, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বঙ্গবন্ধুর ছবি জ্বালিয়ে দেওয়ার মামলায় পঞ্চগড়ে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যানসহ আটজন জামায়াত নেতাকে তিন বছর সশ্রম কারাদন্ড ও পাঁচ হাজার টাকা অর্থ দন্ডসহ মামলার অপর ২০ জন আসামীকে বেখসুর খালাস দিয়েছে আদালত।

বৃহস্পতিবার এজলাস চলাকালিন সময় ২০০২ সালের আইন শৃংখলা বিঘ্নকারী অপরাধ আইনের ৪ ধারায় তাদেরকে দোষী সাব্যস্ত করে পঞ্চগড় সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক কামরুল ইসলাম এ রায় দেন।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার সাকোয়া ইউনিয়ন আ.লীগের দলীয় কার্যালয়ে হামলাকে কেন্দ্র করে মোট ২৮ জনকে আসামী করে দ্রুত বিচার আইনে মামলা দায়ের করা হয়। দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে বৃহস্পতিবার আদালত আট জনকে তিন বছরের সশ্রম কারাদন্ড প্রদান করে সাত জনকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।

সাজাপ্রাপ্ত আসামীরা হলেন, সবুজ মোল্লা, বাবুল মুন্সি, সফিউল্লাহ সুফি, সাইদুর রহমান, সুলতান, জয়নুল মুন্সি, হায়দার আলী মাষ্টার এবং রাজিউল ইসলাম প্রধান। এদের মধ্যে রাজিউল ইসলাম প্রধান পলাতক রয়েছে। এছাড়াও প্রত্যেককে পাঁচ হাজার টাকা করে অর্থদন্ড, অন্যদায়ে দুই মাস বিনাশ্রম কারাদন্ড দেয়া হয়। এ বিষয়ে সরকার পক্ষের আইনজীবি এ্যাডঃ সুলতানে আলম সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।

অপরদিকে আসামী পক্ষের আইনজীবি এ্যাডঃ আজিজুল ইসলাম বলেন, আমরা ন্যায় বিচার প্রত্যাশা করেছিলাম কিন্তু তা থেকে বঞ্চিত হয়েছি। এখন উচ্চ আদালতে আপিল করবো।

 

নাজমুস সাকিব মুন, পঞ্চগড় প্রতিনিধি