ঈদে রাজধানীতে বসছে ২৩টি কোরবানির পশুর হাট

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশনে বসতে যাচ্ছে মোট ২৩টি পশুর হাট। এরই মধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি-ডিএসসিসি)।

এবার ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আয়োতাধীন হাট বসছে ৯টি। তবে এবার উত্তরের আওতাধীন পূর্বাচল ৩০০ ফিট সড়কে বসছে না কোরবানির পশুর হাট। এবার দক্ষিণ সিটির অধীনে বসছে ১৪টি পশুর হাট বলে দুই সিটির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

দুই সিটি করপোরেশনের সম্পত্তি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, উত্তর সিটির নয়টি হাটের সর্বোচ্চ দর ১৩ কোটি ৪১ লাখ ৯৩ হাজার ৭৮৬ টাকা। আর দক্ষিণ সিটির ১৪টি হাটের সর্বোচ্চ দর আট কোটি ৮৭ লাখ ৫২ হাজার টাকা।

এছাড়া দুই সিটির ২৩টি পশুর হাট এবার ইজারা দেওয়া হয় ২২ কোটি ২৯ লাখ ৪৬ হাজার ৬২৭ টাকায়।

ডিএনসিসির নয় হাটের মধ্যে হলো- উত্তরা ১৫ নম্বর সেক্টরের এক নম্বর ব্রিজের পশ্চিম অংশে ও দুই নম্বর ব্রিজের পশ্চিমে গোলচত্বর পর্যন্ত সড়কের উভয় পাশের ফাঁকা জায়গা, মোহাম্মদপুর বুদ্ধিজীবী সড়ক সংলগ্ন (বছিলা) পুলিশ লাইনসের খালি জায়গা, মিরপুর সেকশন-৬, ওয়ার্ড-৬ এর (ইস্টার্ন হাউসিং) খালি জায়গা, ভাটারা (সাঈদনগর) পশুর হাট, মিরপুর ডিওএইচএসের উত্তর পাশের সেতু প্রপার্টি ও সংলগ্ন খালি জায়গার অস্থায়ী পশুর হাট, ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট খেলার মাঠ, বাড্ডার ইস্টার্ন হাউসিং (আফতাবনগর) ব্লক-ই, আফতাবনগর সেকশন-৩ এর খালি জায়গা, কাওলা-শিয়ালডাঙ্গা সংলগ্ন খালি জায়গা।

ডিএসসিসির ১৪ হাটের মধ্যে হল- উত্তর শাহজাহানপুর খিলগাঁও রেলগেট বাজারের মৈত্রী সংঘের মাঠ সংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গা, ঝিগাতলা-হাজারীবাগ মাঠসংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গা, কামরাঙ্গীরচর ইসলাম চেয়ারম্যানের বাড়ির মোড় থেকে দক্ষিণ দিকে বুড়িগঙ্গা নদীর বাঁধসংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গা, শ্যামপুর বালুর মাঠসহ আশপাশের খালি জায়গা, মেরাদিয়া বাজার সংলগ্ন আশপাশ এলাকার খালি জায়গা, ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের সামসাবাদ মাঠ সংলগ্ন আশপাশ এলাকার খালি জায়গা, কমলাপুর স্টেডিয়াম সংলগ্ন বিশ্বরোডের আশপাশের খালি জায়গা, শনির আখড়া ও দনিয়া মাঠ সংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গা, ধূপখোলা মাঠ সংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গা, ৪১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউয়ারটেক মাঠ সংলগ্ন আশপাশ এলাকার খালি জায়গা, আমুলিয়া মডেল টাউনের আশপাশের খালি জায়গা, আফতাবনগর ইস্টার্ন হাউসিং মেরাদিয়া মৌজার সেকশন-১ ও ২, উত্তর শাহজাহানপুর খিলগাঁও রেলগেটের পশুর হাট ও পোস্তগোলা শ্মশানঘাট সংলগ্ন পশুর হাট।

ইতোমধ্যেই হাট ইজারার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। আগামী ৫ ও ৬ আগস্ট প্রস্তুতির সব ধরনের কাজ শেষ হলে ৭ আগস্ট থেকে হাটে পশু ওঠাতে পারবেন ব্যবসায়ীরা।

হাট নিয়ে প্রস্তুতির বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএনসিসির প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বলেন, প্রতিবারের মতো এবারও টেন্ডারের মাধ্যমে ইজারাদারদের মধ্যে হাট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

তবে কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ৩০০ ফিট সড়কের হাটটির টেন্ডার আহ্বান করা হলেও শেষ পর্যন্ত আর দেওয়া হয়নি। আর আফতাব নগরের পশুর হাট দুই সিটির এলাকার মধ্যে হওয়ায় এটি দুই করপোরেশনই পরিচালনা করবে।

ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমাদের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। ৮ বা ৭ তারিখে চাইলে ব্যবসায়ীরা হাটে পশু নিয়ে আসতে পারেন।

এছাড়া তিনি জানান, হাট যেনো কোনোভাবেই সড়কে চলে না আসে বা ব্যবসায়ীরা যেনো হাটের বাইরে সড়কে পশু নিয়ে বসতে না পারেন, সেদিকে আমাদের বিশেষ নজর থাকবে। হাট থেকে যেনো কোন রোগাক্রান্ত পশু বিক্রি হতে না পারে, সেজন্য আমরা পশু সম্পদ অধিদপ্তরের মাধ্যমে প্রতিটি হাটে চিকিৎসকের ব্যবস্থা করেছি। হাট এবং এর আশপা