কমতে শুরু করেছে যমুনার পানি, বাড়ি ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছে বানভাসিরা

বগুড়ায় যমুনা নদীর পানি বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় সারিয়াকন্দির উপজেলার পূর্বাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে শুরু করেছে। এদিকে সারিয়াকান্দি ও সোনাতলা উপজেলা সংলগ্ন বাঙালী নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।  

যমুনা পূর্বাঞ্চলের নিম্নাঞ্চল থেকে পানি কমে মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় বিপদসীমার ১৯ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে বাঁধে আশ্রয় নেওয়া মানুষ বাড়ি-ঘরে যাবার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

কিন্তু বাঙালী নদীর পানি বিপদসীমার ৭৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে বাঙালী সংলগ্ন ৪ টি উপজেলা  শেরপুর, শাজাহানপুর, গাবতলী ও বগুড়া সদরের কিছু অংশ এখনও পানির নিচে রয়েছে।

সর্বশেষ মঙ্গলবার শেরপুর উপজেলার কয়েকটি গ্রামে পানি প্রবেশ করেছে। এই উপজেলার নদী এলাকার নিচু এলাকাতেই বেশি পানি দেখা দিয়েছে। এ নিয়ে জেলার ৬ টি উপজেলা এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

৬ টি উপজেলা সারিয়াকান্দি, সোনাতলা, ধুনট, গাবতলী, শাজাহানপুর ও শেরপুর  উপজেলায় ৭৫ হাজার পরিবারের প্রায় ৩ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যমুনা নদীর পানি হ্রাস পাওয়ায় সারিয়াকান্দিতে বন্যা পরিস্থিতর উন্নতি হতে শুরু করেছে।

বগুড়ার শেরপুর উপজেলার বাঙালী ও করতোয়া নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বগুড়া পৌর এলাকাসহ উপজেলার চারটি ইউনিয়নে বন্যার পানি প্রবেশ করেছে। উপজেলার নতুন নতুন ফসলি জমি তলিয়ে গেছে।

জেলার সারিয়াকান্দি উপজেলায় যমুনা নদীর পানি কমতে শুরু করলেও পানি বাড়ি-ঘর থেকে পুরোপুরি নেমে যায়নি। ফলে মানুষ এখনও বন্যা কবলিত বাড়ি-ঘরে ফিরে যেতে পারেনি। বাঙালী নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় অন্য ৪ টি উপজেলায় বন্যার পানির সাথে যুদ্ধ করে চলছে।