লিবিয়ায় নৌকাডুবির ঘটনায় ১৩৫ উদ্ধার, এখনও নিখোঁজ ১১৫

লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবির ঘটনায় ১১৫ জন নিখোঁজ এবং ১৩৫ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। নৌকাটিতে ২৫০ জন যাত্রী ছিল, যারা ভাগ্যের সন্ধানে অবৈধ পথে লিবিয়া থেকে ইউরোপ যাচ্ছিল। নৌকার বেশির ভাগ যাত্রী ছিলেন উত্তর-পূর্ব আফ্রিকার বাসিন্দা। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম রয়টার্স বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) রাতে এই তথ্য জানিয়েছে।

অন্যদিকে, জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা’র (ইউএনএইচসিআর) আফ্রিকা এবং লিবিয়া বিষয়ক মুখপাত্র চার্লি ইয়াক্সলি এক টুইট বার্তায় জানান, লিবিয়া উপকূলে বড় ধরণের নৌকাডুবির ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনার পরপরই ১৫০ জনকে উদ্ধার করে লিবিয়ায় নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেয়া হয়।

উদ্ধার হওয়া একজনের বরাত দিয়ে মুখপাত্র চার্লি ইয়াক্সলি জানান, এই ঘটনায় সাগরের মধ্যে কমপক্ষে ১৫০ জনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

তিনি আরো জানান, শরণার্থী এবং অভিবাসীবোঝাই নৌকাটির মানুষরা ভাগ্যের সন্ধানে অবৈধ পথে লিবিয়া থেকে ইউরোপে পাড়ি দেয়ার চেষ্টা করছিল। যাদের মধ্যে বেশির ভাগই ছিলেন উত্তর-পূর্ব আফ্রিকার বাসিন্দা।

ইউএনএইচসিআর এর প্রধান ফিলিপো গ্রান্ডি এক টুইট বার্তায় জানান, এই বছরে ভূমধ্যসাগরের সবচেয়ে ভয়াবহ ঘটনা মাত্রই ঘটল। লিবিয়া উপকূল দিয়ে ইউরোপে অবৈধ যাত্রার এই পথ বন্ধ করতে হবে, নিরাপদ এবং বৈধ যাত্রাপথের দিকে এখনই নজর দিতে হবে। কেননা আমরা এরই মধ্যে অনেকে হারিয়ে ফেলেছি।

লিবিয়ার নৌ বাহিনীর মুখপাত্র আইয়ুব কাসেমের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, ডুবে যাওয়া নৌকাটিতে মোট ২৫০ জন যাত্রী ছিল। যার মধ্যে বেশির ভাগই ছিলেন উত্তর-পূর্ব আফ্রিকার বাসিন্দা। বাকিরা আফ্রিকার অন্য অঞ্চল এবং আরবদেশগুলোর বাসিন্দা। লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলি থেকে মাত্র ১২০ কিলোমিটার পূর্বের আল খোমস বন্দর থেকে অভিবাসীদের নিয়ে যাত্রা শুরু করার পরই নৌযানটি ডুবে যায়। এরপর লিবিয়ার কোস্টগার্ড ১৫০ জনকে উদ্ধার করতে সমর্থ হয়।