বান্দরবানে আরেক আ’লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

বান্দরবানের মো: আলমগীর (৪১) নামে আরেক আ’লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। মঙ্গলবার রাত ১১ টার দিকে লামা উপজেলার সরই ইউনিয়নের হাসনাভিটা এলাকার ফাতেমা দরগা নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে। সে সরই ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, মঙ্গলবার রাত ১০ টার দিকে আওয়ামীলীগ নেতা নিজ আলমগীর মোটর সাইকেল নিয়ে তার খামারবাড়ী থেকে বাড়ী ফেরার সময় ফাতেমা দরগা নামক জায়গায় সন্ত্রাসীরা তাকে গতিরোধ করে ধারালো দা দিয়ে ঘারে ও মুখে কুপিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা মোটর সাইকেলসহ তার রক্তাক্ত দেহ রাস্তার পাশে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে লামা হাসপাতালে পাঠায়।

এসময় ঘটনাস্থল থেকে একটি ধারালো দা ও একটি মোটর সাইকেল উদ্ধার করে পুলিশ। তবে কে বা কারা কেন এ হত্যা কান্ড ঘটিয়েছে সে বিষয়ে পুলিশ এখনো কিছু জানাতে পারেনি। এদিকে এ ঘটনার পর থেকে বান্দরবান আওয়ামীলীগের নেতাদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। গতকাল (২৩ জুলাই) রোয়াংছড়ির খুনের ঘটনায় আওয়ামীলীগ জেএসএস কে দায়ী করলেও লামার আলমগীর হত্যা ভিন্ন কারনে হয়েছে বলে দাবী আওয়ামীলীগ নেতাদের।

বান্দরবান জেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান একেএম জাহাঙ্গীর বলেন, ব্যবসায়িক অথবা জায়গা সংক্রান্ত বিরোধের কারনে সন্ত্রাসীরা আওয়ামীলীগ নেতা আলমগীরকে হত্যা করেছে রাজনৈতিক কারনেস তাকে হত্যা করার কোন কারন নেই। সবার সাথে তার ভাল সম্পর্ক রয়েছে।

বান্দরবান জেলার পুলিশ সুপার জাকির হোসেন মজুমদার বলেন, লামায় আওয়ামীলীগের আরেক নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। কে বা কারা এ হত্যা কান্ডটি ঘটিয়েছে সে বিষয়ে এখনো কিছু জানা যায়নি। তবে ঘটনাস্থল থেকে একটি মোটর সাইকেল পাওয়া গেছে আমরা খতিয়ে দেখছি মোটর সাইকেলটি কার খুনের সাথে এটির কোন সম্পর্ক আছে কিনা সেটির মালিক পাওয়া গেলে খুনির সম্পর্কে জানতে পারব।

সোহেল কান্তি নাথ, বান্দরবান প্রতিনিধি