রংপুরে এরশাদের মরদেহ আটকে রাখলেন নেতাকর্মীরা

সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদের মরদেহ রংপুরে আটকে রাখলেন নেতাকর্মীরা। মঙ্গলবার বাদ জোহর বেলা আড়াইটায় রংপুরের কালেক্টরেট ঈদগাহ ময়দানে জানাজা শেষে মরদেহ নিয়ে যাওয়ার পথে মরদেহ বহনকারী গাড়ি আটকে দেয়া হয়। এ সময় জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা স্লোগান দিয়ে এরশাদকে রংপুরে দাফনের দাবি জানান।

মঙ্গলবার বাদ জোহর বেলা আড়াইটায় রংপুরের কালেক্টরেট ঈদগাহ ময়দানে এরশাদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরশাদের জানাজা মাঠ জনস্রোতে পরিণত হয়। কালেক্টরেট ঈদগাহ ময়দানে ঢল নামে নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের জনতার। লক্ষাধিক মানুষ এরশাদের জানাজায় অংশ নেয়।

জানাজার আগে বক্তব্য দেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের, মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা, রংপুর সিটি মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা ও এরশাদ পুত্র স্বাদ।

স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এরশাদের দাফন রংপুরে করার দাবিতে জানাজা শেষে হট্টোগাল শুরু হয়। জানাজা শেষে রংপুরে এরশাদের মরদেহ দাফনের জন্য উপস্থিত নেতাকর্মীদের বাধার মুখে পড়ে মরদেহ বহনকারী গাড়ি। এ সময় ১৫ মিনিট আটকে রাখা হয় মরদেহ বহনকারী গাড়ি। পরে জনস্রোত উপেক্ষা করে জানাজা মাঠ ত্যাগ করে গাড়ি। সেখান থেকে পল্লী নিবাসের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায় গাড়িটি। গাড়িটিতে আছেন রংপুর সিটি মেয়র মোস্তাফিজার রহমান।

এর আগে জানাজা-পূর্ব বক্তৃতায় এরশাদকে রংপুরে দাফনের দাবি তোলেন রংপুর সিটি মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা। পরে জি এম কাদের বক্তব্য দেন। এ সময় এরশাদের দাফনের বিষয়টি উল্লেখ করে স্লোগান শুরু হয়। বেলা ২টা ২৫ মিনিটে এরশাদের জানাজা শুরু হয়। জানাজার পর এরশাদের মরদেহ বহনকারী গাড়িটি ঘিরে রাখেন শত শত কর্মী। রংপুরে তার কবর দেয়ার দাবি করেন তারা।