নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা, ৩ দিন পর জীবিত পাওয়া গেল কোমলকে!

গত ৫ জুলাই নিখোঁজ হয়ে যান একটি ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিতে কর্মরত ট্রেনিং অফিসার কোমল। পরে একটি ব্রিজের কাছে তার পরিত্যক্ত গাড়ি থেকে মিলে সুইসাইড নোট। ধারণা করা হয়, নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন তিনি। এরপর নদীতে তিন দিন তল্লাশি অভিযান চালিয়েও মরদেহ না পেয়ে সেটা সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

তবে গোয়েন্দারা হাল ছাড়েননি। শেষ পর্যন্ত উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদ থেকে নিখোঁজ ওই নারীকে বেঙ্গালুরু থেকে উদ্ধার করে পুলিশ।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এই সময় জানায়, কোমল ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়নের সভাপতির মেয়ে। নিখোঁজের পর তার গাড়ি উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদে হিন্দোন ব্রিজ এলাকা থেকে উদ্ধার করে পুলিশ।

গাড়িটি উদ্ধার করার পরই সেটি থেকে সুইসাইড নোট উদ্ধার হয়। পুলিশ অনুমান করে নিয়েছিল, হিন্দোন নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন কোমল।

সুইসাইড নোটে নিজের স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন কোমল। তবে রহস্য উদঘাটনে হাল ছাড়েননি গোয়েন্দারা। নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার পর বেশ কয়েকজনের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করেন কোমল। পরে তার পরিচিত জায়গাগুলোর মধ্যে জয়পুর ও রাজস্থানে খোঁজ শুরু করে পুলিশ।

জয়পুরে গিয়ে পুলিশ জানতে পারে কোমল মুম্বাইতে অবস্থান করছেন। মুম্বাই পুলিশের সাহায্য নিয়ে দিল্লি পুলিশ জানতে পারে কোমল বেঙ্গালুরুতে আছেন। শেষ পর্যন্ত বেঙ্গালুরু থেকেই তাকে উদ্ধার করে পুলিশ।

স্বামীকে গ্রেপ্তার করাতেই এমন আত্মহত্যার ঘটনা সাজিয়েছিলেন বলে জানান কোমল। তার অভিযোগ, বিয়ের পর থেকে স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যরা তাকে নির্যাতন করে আসছে।