এরশাদকে দেখতে সিএমএইচে গেলেন ওবায়দুল কাদের

ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান ও সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা এইচএম এরশাদ জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে আছেন। তাকে দেখতে সিএমএইচে গেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

সকাল সাড়ে ১০টায় এরশাদকে দেখতে যান তিনি। জাপার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিএম কাদের ও মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা সেখানে আছেন।

এর আগে গত বুধবার সকালে হাসপাতালে ভর্তির পর গত তিন দিনে অবস্থার কিছুটা উন্নতি মনে হলেও রবিবার ভোর থেকে এরশাদের অবস্থার মারাত্মক অবনতি ঘটে। তার ফুসফুসে ইনফেকশন ধরা পড়েছে। ফুসফুসে পানি জমেছে, ফলে প্রচণ্ড শ্বাসকষ্ট শুরু হয়েছে। চিকিত্সকরা কৃত্রিম উপায়ে তাকে অক্সিজেন দিয়ে রেখেছেন।

সিএমএইচে এরশাদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক থাকা তার ব্যক্তিগত স্টাফদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এরশাদ গতকাল সারাদিন একবারের জন্যও কথা বলার চেষ্টা করেননি। চোখও মেলেননি। মাঝে-মধ্যে হাত-পা নাড়াচ্ছেন। শরীর প্রচণ্ড দুর্বল হয়ে পড়েছে। দুর্বলতা কাটাতে চিকিৎসকরা স্যালাইন দিয়ে রেখেছেন।

এর আগে গত মঙ্গলবার বিকাল থেকে এরশাদের প্রচণ্ড কাঁপুনি দিয়ে দফায়-দফায় জ্বর আসে। অবস্থা খারাপের দিকে গেলে বুধবার সকালে তাকে সিএমএইচের ক্রিটিক্যাল ইউনিটে ভর্তি করা হয়। ভর্তির পর প্রতিদিনই তাকে দেখতে গেছেন স্ত্রী ও সংসদের বিরোধী দলীয় উপনেতা রওশন এরশাদ। গতকাল দুপুরেও তিনি এরশাদকে দেখতে যান।

রওশন এরশাদ বলেন, ‘আমি সিএমএইচ থেকে দুপুরে সংসদে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার লবিতে দেখা করেছি। এরশাদের শারীরিক অবস্থার অবনতির বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন আমি সার্বক্ষণিক খোঁজ-খবর নিচ্ছি। কয়েকবার সিএমএইচে কথা বলেছি। উনার চিকিত্সার জন্য টাকার কোনো সমস্যা হবে না। চিকিত্সকরা যদি মনে করেন বিদেশে নেওয়া দরকার সেই ব্যবস্থাও করা হবে।’