এসএসসিতে এ প্লাস না পাওয়ার লজ্জায় ফাঁস দিয়ে ছাত্রীর আত্মহত্যা

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় এসএসসি পরীক্ষার প্রকাশিত ফলাফলে প্রত্যাশিত জিপিএ-৫ না পেয়ে জিপিএ-৪ পাওয়ায় আসফিয়া মুন্না নীপা (১৬) নামে এক ছাত্রী ঘরের আড়ের সাথে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। সে উপজেলার আথাইল শিমুল গ্রামের আরশেদ আলী ও শামসুন্নাহার দম্পত্তির মেঝ সন্তান এবং আথাইল শিমুল উচ্চ বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল।

পরিবার ও স্থানীয়রা জানায়, মা বাবা দুজনেই চাকুরীজীবী। বাবা ঢাকায় একটি বেসরকারী কম্পানিতে আর মা মধুপুর হাসপাতালে চাকুরী করেন। তারা ঘাটাইল সদর হাসপাতালের পেছনে ভাড়া করা বাসায় থাকত।

সোমবার দুপুরে বাসায় ছয় বছরের ছোট বোন ছাড়া আর কেউ ছিল না।

এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা হলে সে এ প্লাস না পেয়ে জিপিএ-৪ পেলে লজ্জায় ঘরের আড়ের সাথে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। পরে স্থানীয়রা দেখে ঘরের দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করে ঘাটাইল স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার মৃত ঘোষণা করে। তিন বোনের মধ্যে নীপা ছিল মেধাবী। বড় বোন টাঙ্গাইল পলিটেকনিক্যালের ছাত্রী আর ছোট বোন এখনো স্কুলের গন্ডিতে পা রাখেনি।

আথাইল শিমুল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবুর চৌধুরী বলেন, নীপা অনেক মেধাবী ছাত্রী ছিল। এ প্লাস পাওয়ার মতো মেধা তার ছিল। সে অত্যন্ত ভদ্র ও শান্ত স্বভাবের ছিল। তার আত্মহত্যা করার বিষয়টি মেনে নিতে পারছি না।

ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাকসুদুল আলম বলেন, এ বিষয়ে কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।