‘যেভাবেই হোক ফণী বাংলাদেশে আসবেই’

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক শামছুদ্দিন আহমদ বলেছেন, ফণীর চারিদিকে বাতাসের বেগ ঘণ্টায় ১৬০ থেকে ১৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত প্রবাহিত হচ্ছে। ভারতের উপকূল অতিক্রম না করলেও এটি বাংলাদেশে আসবে। যেভাবেই হোক ফণী বাংলাদেশে আসবেই।

ঘণ্টায় ১৬০-১৮০ কিলোমিটার গতির বাতাস হাজার কিলোমিটার ব্যাসের বিস্তার নিয়ে বঙ্গোপসাগর থেকে ভারত ও বাংলাদেশের উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ফণী।

বাংলাদেশে এর আঘাতে সবথেকে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে উপকূলের দুই জেলা খুলনা ও বরগুনা। এ জন্য মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরে ৭ এবং চট্টগ্রামে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে আবহাওয়া অফিসের পক্ষ থেকে।

শুক্রবার ওড়িশা উপকূলে ঘণ্টায় প্রায় ২০৫ কিলোমিটার গতিতে আছড়ে পড়বে এই শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়। আর এই ঝড়ের বীভৎসতা সম্পর্কে ঠিক করে বলা না গেলেও ভয়াবহতা সম্পর্কে আঁচ করা যাচ্ছে। ওড়িশার পরেই ফণীর অভিমুখ হবে পশ্চিমবঙ্গের দিকে। সেখান থেকে সোজা বাংলাদেশে! শুক্রবার (৩ মে) সন্ধ্যা নাগাদ ঝড়টি বাংলাদেশে আঘাত হানতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া অধিদফতর।

এরই মধ্যে ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে উত্তাল থাকা বঙ্গোপসাগরে একটি জেলে ট্রলার ডুবে গেছে। এই ঘটনায় ১০ জন জেলে নিঁখোজের সংবাদ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার (০২ মে) দুপুরে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার সোনারচরসংলগ্ন গভীর দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, ঘূর্ণিঝড় ফণীর সর্তক সংকেত ও নিদের্শনা উপেক্ষা করে ১০ জন জেলে নিয়ে সকালে জামাল ফিশিং নামের একটি ট্রলার গভীর সমুদ্রে যায়। দুপুরে ট্রলারটি ডুবে যাওয়ার সংবাদ আসে।