চট্টগ্রামে মরাছড়া খাল থেকে ১৬ হাজার লিটার তেল সংগ্রহ

চট্টগ্রাম-নাজিরহাট রেল লাইনের হাটহাজারী পৌরসভার ১১ মাইল এলাকায় ফার্নেস অয়েল ট্যাংকবাহী সাতটি ওয়াগনের মধ্যে তিনটি লাইনচ্যুত হয়ে ওয়াগনে থাকা কিছু তেল ছড়াখালে ছড়িয়ে পড়ে। ছড়িয়ে পড়া এই তেল সংগ্রহে মাঠে নেমেছে উপজেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ১৬ হাজার লিটার তেল সংগ্রহ করা হয়েছে।

উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুহল আমিনের তত্ত্বাবধানে ২৫ জন শ্রমিক এ তেল সংগ্রহে কাজ করেন। শুধু তেল সংগ্রহ নয়, সংগৃহীত তেল থেকে ৯ হাজার ৬০০ লিটার তেল পদ্মা অয়েল কোম্পানির কাছে প্রতি লিটার ২০টাকা করে বিক্রিও করা হয়েছে।

এর আগে সোমবার চট্টগ্রাম-নাজিরহাট রেল লাইনের হাটহাজারী পৌরসভার ১১ মাইল এলাকার মরাছড়া খালের ওপর ফার্নেস অয়েল ট্যাংকবাহী সাতটি ওয়াগনের মধ্যে তিনটি লাইনচ্যুত হয়। এতে হতাহতের কোনো ঘটনা না ঘটলেও ওয়াগনে থাকা কিছু তেল ছড়াখালে ছড়িয়ে পড়ে।

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা, রেল কর্তৃপক্ষ, পিকিং পাওয়ার বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কর্মকর্তা এবং হালদা গবেষক চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মঞ্জুরুল কিবরিয়া ঘটনাস্থলে ছুটে যান। এসব তেল যাতে হালদায় না পড়ে সেজন্য উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশে মরাখালে ১০টি ক্রসবাধ দিয়ে পানি আটকে রাখা হয়। পরে মঙ্গলবার সকাল থেকে তেল সংগ্রহ করা হয়।

ইউএনও রুহুল আমিন বাংলানিউজকে বলেন, ইতোমধ্যে ১৬ হাজার লিটার তেল সংগ্রহ করা হয়েছে। এরমধ্যে পদ্মা কোম্পানির কাছে ৯ হাজার ৬০০ লিটার তেল বিক্রি করা হয়েছে। বুধবার সকাল থেকে আবারও তেল সংগ্রহ করা হবে।