ফরিদপুরের ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রীর পাঁশে জেলা প্রশাসন

ফরিদপুরের সালথায় দুই বন্ধু মিলে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি হয়। এঘটনায় সালথা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ, সাকিল নামে এক ধর্ষককে গ্রেফতার করে। এদিকে ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মোঃ জাকির হোসেন ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা) মোহাম্মাদ মোবাশ্বের হাসান শনিবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে ঐ স্কুলছাত্রী এবং তার পরিবারের সাথে দেখা করেন ও খোঁজখবর নেন।

এসময় বাকি অপরাধীকে গ্রেফতার করে শাস্তির জন্য আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন তারা। পাঁশাপাশি স্কুলছাত্রী ও তার পরিবারকে নিরাপত্তা দেওয়ার আশ্বাস দেন। এসময় ফরিদপুরের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার এফ.এম মহিউদ্দীন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আবুল খায়ের, সালথা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ দেলোয়ার হোসেন খাঁন, মহিলা বিষয়ক অফিসার ফেরদৌস আরা ডলি ও ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান লাভলু উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ৫ এপ্রিল রাতে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিলে ঘরের বাইরে বের হয় যুগিডাঙ্গা গ্রামের নবম শ্রেণীর এক ছাত্রী। সে সময় ওঁত পেতে থাকা দুই বন্ধু সাকিল ও জাবের মেয়েটির মুখ চেপে ধরে বাড়ির পাঁশে বাগানে নিয়ে ধর্ষণ করে। সাকিল যুগিডাঙ্গা গ্রামের মাসুদ শেখের ছেলে ও জাবের লক্ষণদিয়া গ্রামের বজলু মাতুব্বারের ছেলে। শুধু ধর্ষণ করে ক্ষ্যান্ত হয়নি তারা। ধর্ষণের ভিডিও চিত্র মোবাইলে ধারণ করে তা আবার ফেসবুকে প্রচার করে। ফেসবুকে প্রচার হলে বিষয়টি এলাকায় চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি হয়। এঘটনায় সালথা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। সোমবার (২২ এপ্রিল) ঘটনার প্রধান আসামী সাকিলকে গ্রেফতার করেছেন পুলিশ।

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর প্রতিনিধি