কান্না থামাতে পারলেন না তাসকিন আহমেদ

কান্না থামাতে পারলেন না পেসার তাসকিন আহমেদ। কি করেই থামাবেন বিশ্বকাপের স্কোয়াডে জায়গা পাওয়ার জন্য কি না করেছেন। ইনজুরি থাকা অবস্থায়ও ফিটনেস নিয়ে কাজ করেছেন। শরীরের ওজন বেড়ে যাবে বলে ২৩ দিন ভাত না খেয়ে থেকেছেন। নিজেকে ফিরে পাওয়ার জন্য এই আড়াই মাস কঠোর অনুশীলন করেছেন। কিন্তু তার পরেও জয় করতে পারেননি নির্বাচকদের মন।

ফিটনেস পরিক্ষায় ফেল করেছেন তাই আসন্ন ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ ও আয়ারল্যান্ড সিরিজে তাকে দলের বাহিরে রেখেছে টিম ম্যানেজমেন্ট।

তাসকিনকে স্কোয়াডে না রাখার প্রসঙ্গে সাফ জানিয়েও দিয়েছেন বিসিবির প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু, স্কোয়াডের বাহিরে রাখা হয়েছে, ‘আমরা ওকে নিয়ে অনেক দিন থেকেই চিন্তা করছি। সে কিন্তু ২০১৭ সালের ২২শে অক্টোবর সর্বশেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশের হয়ে। ওটার পরে কিন্তু আমরা যখন ওকে নিউজিল্যান্ড সফরের জন্য চিন্তা ভাবনা করেছিলাম তখন আবার ইনজুরিতে পড়ে গিয়েছে। এখন পর্যন্ত সে পুরোপুরি ফিট না। সেই হিসেবে আমরা তাঁকে স্কিল ফিট হিসেবে চাচ্ছি না। সে ঘরোয়া লীগে একটি ম্যাচে খেলেছে স্কিল ফিট হিসেবে। কিন্তু তার ফিটনেস শতভাগ নয়। তবে এখনও সময় আছে। আয়ারল্যান্ড সফরে আমাদের ১৭ জন সদস্য যাচ্ছে। এর মধ্যে ও যদি পুরো ফিট হয়ে যায় এবং দরকার হয় তাহলে ওকে আমরা ব্যাকআপ হিসেবে রাখবো।’

কিন্তু বিশ্বকাপের স্কোয়াড থেকে ছিটকে পড়ে নিজেকে স্বাভাবিক রাখতে পারছেন না তাসকিন। কান্নায় ভাসিয়ে দিলেন দুই নয়ন।

কেন বাদ পড়লেন সেই প্রসঙ্গে  জানতে চাওয়া হলে তাসকিন বলেন, আমার কিছু বলার নাই। তাঁরা যা ভালো মনে করেছে তাই করেছে। এই আড়াই মাস আমি যা কষ্ট করেছি আমি আর কখনো এমন কষ্ট করি নাই।’

কথা গুলো বলার সময় অঝরে কেঁদেই যাচ্ছিলেন। নিজেকে কোন ভাবেই স্বাভাবিক রাখতে পারছিলেন না। খুব বেশি কথা না বলে কাঁদতে কাঁদতে চলে গেলেন।