নোটিশ পাঠানো সত্ত্বেও এফ আর টাওয়ারে ছিলনা কোনোধরনের অগ্নি-নির্বাপক সরঞ্জাম

বনানীর এফ আর টাওয়ারের কোন ফ্লোরের কোনোটাতেই ছিল না কোনোধরনের অগ্নি-নির্বাপক সরঞ্জাম। ফায়ার এক্সিট বা ফায়ার এলার্মও ছিল না। অথচ বহুতল ভবনের ক্ষেত্রে ফায়ার সার্ভিসের ছাড়পত্র বা অগ্নিনিরাপত্তা পরিকল্পনার অনুমোদন নেওয়া বাধ্যতামূলক।

ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষের দাবি, একাধিকবার এফ আর টাওয়ার কর্তৃপক্ষকে তারা অগ্নি-নির্বাপক ব্যবস্থা সংযোজনের নোটিশ পাঠিয়েছে। সর্বশেষ নোটিশ পাঠায় গত জানুয়ারি মাসে। কিন্তু ভবন কর্তৃপক্ষ বরাবরের মতোই সেটি উপেক্ষা করে। তাদের এই উদাসিনতার কারণেই ভবনটিতে গত বৃহস্পতিবার ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে এবং তাতে প্রাণ হারান ২৬ জন।

রাজউক থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, বনানীর এফ আর টাওয়ারটির নকশার অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল ১৯৯৬ সালে। ফলে এই ভবন নির্মাণের সময় ফায়ার সার্ভিসের ছাড়পত্রের প্রয়োজন হয়নি। কিন্তু পরে অগ্নিনিরাপত্তা পরিকল্পনার অনুমোদন নেওয়া বাধ্যতামূলক ছিল। তারা সেটা করেনি। এ ব্যাপারে ভবন কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ফায়ার সার্ভিসের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, এফ আর টাওয়ারে অগ্নিপ্রতিরোধের ব্যবস্থা না থাকায় গত ডিসেম্বরে ভবন কর্তৃপক্ষকে ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে মতবিনিময়ের জন্য ডাকা হয়েছিল। কিন্তু তারা আসেনি। এরপর জানুয়ারিতে নোটিশ দেওয়া হয়। এরপরও ভবন কর্তৃপক্ষ কিছু করেনি।