‘কোন শিক্ষক যদি এমন হয়, তার কাছ থেকে আমরা কি শিক্ষা পাবো?’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু আগেই কুয়েত মৈত্রী হলে প্রার্থীরা নানা অভিযোগ সংবাদমাধ্যমের সামনে হাজির হন। একজন শিক্ষার্থী কান্না জরিত কণ্ঠে অভিযোগ করে বলেন, ‘কোন শিক্ষক যদি এমন হয়, তার কাছ থেকে আমরা কি শিক্ষা পাবো?’ এদিকে অভিযোগের প্রেক্ষিতে কুয়েত মৈত্রী হলে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে।

এ নিয়ে ভোটারদের মধ্য তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি। বিক্ষোভে ফেটে পড়া শিক্ষার্থীরা হল প্রাধ্যক্ষকে রিডিং রুমে আটকে রাখেন।

এর আগে সকাল ৮টায় ভোটাররা ভোট দিতে লাইনে দাঁড়ান। প্রক্টর গিয়ে সেখানে কথা বলে সময় কাটানোর চেষ্টা করেন। পরে শিক্ষার্থীরা জোর করে ঢুকলে সিল মারা ব্যালট উদ্ধার করা হয়। শিক্ষার্থীরা বলছেন, এসব ব্যালট পেপারে ছাত্রলীগের প্রার্থীদের সিল মারা ছিল। সেজন্য তারা এখন ছাত্রলীগের প্যানেল বাদ দিয়ে নির্বাচনের দাবি করছেন।

শিক্ষার্থীরা আরও বলছেন, আগের রাতেই সিল মারা হয়ে গেছে। এ নির্বাচন আমরা বয়কট করেছি। আমাদের তত্ত্বাবধানে সুষ্ঠু ভোট না হলে এখানে আর ভোট হবে না। আমরা ভোট কারচুপির জবাব চাই। তাছাড়া আমাদের হল প্রভোস্ট, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ফোন দিয়ে সরে যাওয়ার জন্য বলছেন। আমরা তাদেরও পদত্যাগ চাই। আমাদের এসব দাবি মেনে নেওয়া না হলে আমরা অবস্থান ত্যাগ করবো না। এরপর শিক্ষার্থীরা হলের সামনের রাস্তায় অবস্থান নিয়ে বসে পড়েন।