মাদকাসক্ত বাবার হাতে ধর্ষণের শিকার ৮ বছরের কন্যা, অতঃপর মৃত্যু

মাদকাসক্ত বাবার হাতে ধর্ষণের শিকার হলেন ৮ বছরের কন্যা সন্তান। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় শিশুটি। মাদকাসক্তের কারনে স্বামী বেকার থাকায় স্ত্রী জুট বাছাইয়ের কাজ করে যা আয় করেন তাতেই সংসার চলে। স্বামীর কাছে সন্তান রেখেই উনি প্রতিদিন কাজে যান।

ঘটনাটি ২৬ ফেব্রুয়ারীর দিন। মেয়ের অসুস্থতার খবর পেয়ে মা ছুটে আসেন কাজ থেকে। প্রচন্ড ব্লিডিংয়ে মেয়ে কোঁকাচ্ছে এবং কাঁদছে।জিজ্ঞাসা করলে কিছু বলছেনা।প্রাথমিক চিকিৎসা হিসেবে এলাকার ফার্মেসীতে নিয়ে গেলে ফার্মেসীওয়ালা সবটা বুঝে পুলিশকে খবর দেয়। ঘটনা বেরিয়ে আসে। মেয়ে ভয়ে কাঁপছে।

“বাবায় আমার এমন করসে। কইসে জানি তোমারে না কই,কইলে রাইতে তোমারে আর আমারে মাইরা ফালাইবো”-মা’কে সবটা জানায়।

তারপর সম্পূর্ন ঘটনা জানা গেলো পুলিশি সহায়তার মাধ্যমে, মা কাজে যাবার পর বাবা কু-মতলব আঁটেন। বাচ্চাকে ধর্ষন করবার সময়ে অতিরিক্ত ব্লিডিং হবার কারনে সে ঘাবড়ে যায়। বাচ্চাকে উনি হুমকীর ছলে বলেন মেয়ে যেনো মা’সহ আর কাউকে এসব কিছু না বলে এবং কেউ জিজ্ঞাসা করলে যেনো বলে যে উঁচু দেয়াল থেকে পড়ে ব্যথা পেয়ে ব্লিডিং শুরু হয়েছে।

কিছুক্ষন পর বাচ্চা অতিরিক্ত যন্ত্রণায় কান্নাকাটি শুরু করলে আশেপাশের মানুষ এসে এলাকার ফার্মেসীতে নিয়ে যায়। লক্ষন ভালো না দেখে ফার্মেসীওয়ালা কল করে পুলিশকে। পুলিশ আসবার আগেই এলাকাবাসী কিছুটা মারধর করে ধর্ষককে। পুলিশ এসে হাসপাতালে নেবার বদলে আগে বাচ্চাকে নিয়ে যায় থানায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য। তারপর নারায়নগঞ্জের খানপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বাচ্চাটাকে। অতঃপর গত ২৮ ফেব্রুয়ারি হাসপাতালেই মারা গেছে শিশুটি।