দিনাজপুরে মেলার শব্দে ক্ষতিগ্রস্ত এইচ এস সি পরীক্ষার শিক্ষার্থীরা

গত ২২ ফেব্রুয়ারী দিনাজপুর চেম্বার অব কর্মাস এন্ড ইন্ডাস্ট্রি আয়োজিত ১৪তম শিল্প ও বাণিজ্যমেলা বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদ্বোধন করা হয়েছে। চেম্বার অব কর্মাসের সভাপতি সুজা-উর-রবের সভাপতিত্বে এ মেলার উদ্বোধন করেন জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি। দিনাজপুর গোর-এ শহীদ বড় ময়দানে মাসব্যাপী চলবে এই বাণিজ্য মেলা।

মেলাকে ঘিরে শুরু হয়েছে ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে পণ্য বিজ্ঞাপনকারীদের নানা রকম আয়োজন। শহর জুড়ে চলছে মাইকিং গান বাজনা। উৎসব মুখর পরিবেশের সৃষ্টি হলেও মেলার এই অনাকংখিত পণ্যের বিজ্ঞাপন ও মাইকিং এর কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে আসন্ন উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার শিক্ষার্থীরা।

উচ্চ মাত্রার শব্দ ও মেলা চলাকালীন সময় মেলার ভিতরে গানবাজনা করার ফলে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া বাঁধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়দের অনেকেই।

স্থানীয় এক অভিবাবক জানান, সকাল থেকেই শুরু হয় গান বাজনা। রাত হলে আরও বেড়ে যায়। উচ্চ শব্দের জন্য বাচ্চারা পড়াশোনায় সঠিক ভাবে মনোযোগ দিতে পারেনা। আবার মেলার গান ছাড়াও মেলার ব্যবসায়ীরা মাইকিং করে পণ্যের বিজ্ঞাপন করে এলাকা জুড়ে। এ সমস্যা সমাধানের জন্য আমরা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

এক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে জানা যায়, মেলায় যখন অনেক জোরে গান বাজে তখন পড়ায় মন দিতে পারি না। সামনে আমাদের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা। এ সময় যদি এমন শব্দ দূষণে আমাদের পড়াশোনা খতিগ্রস্থ হয় তাহলে আমাদের পরীক্ষার ফলাফলও অনেক খারাপ আসবে।

নীতি অনুসরণ করলে এ ধরনের মেলা আবাসিক এলাকা থেকে দূরে করার নীতিমালা রয়েছে, যেন মেলার শব্দে এলাকায় বসবাসরত মানুষের কোন ধরনের সমস্যা না হয়। আর্ন্তজাতিকভাবে দেশীয় পণ্যের চাহিদা বাড়াতে বাণিজ্য মেলার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে তবে তা যদি হয় দেশ ও দশের প্রধান সমস্যার কারণ তবে কি করনীয় বলে মনে করছেন প্রশাসন। মেলায় সৃষ্ট শব্দের জন্য আসন্ন উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার শিক্ষার্থীরা যেন খতিগ্রস্থ না হয় সে জন্য প্রশাসন ও সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে সবাই।