‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ রূপকল্পের ভিত্তিতেই এসেছে বাংলাদেশ ডাক বিভাগের সেবা ‘নগদ’

শনিবার ২৩ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর একটি হোটেলে নগদের ডিজিটাল কেওয়াইসি নিবন্ধন প্রক্রিয়া উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মোস্তাফা জব্বার বলেন, দেশের মানুষের সুবিধার্থে বাংলাদেশ সরকার স্বপ্রণোদিতভাবে নানা ধরনের সেবা নিয়ে আসছে। এর ধারাবাহিকতা এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ রূপকল্পের ভিত্তিতেই এসেছে বাংলাদেশ ডাক বিভাগের সেবা ‘নগদ’।

মন্ত্রী আরও বলেন, আর্থিক স্বাধীনতা প্রদান করে সনাতন ধারণা পাল্টে দিচ্ছে বর্তমান সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ প্রদত্ত দেশের প্রথম ডিজিটাল আর্থিক সেবা নগদের আবির্ভাব।

দেশের মানুষকে সহজে মানসম্পন্ন আর্থিক সেবাদানে ডিজিটাল আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ‘নগদ’ এ ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করবে বলেও জানান মোস্তাফা জব্বার বলেন।

বাংলাদেশ ডাক বিভাগের মহাপরিচালক সুশান্ত কুমার মণ্ডল বলেন, ‘আর্থিক লেনদেন ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে আমাদের একশ’ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে। দেশজুড়ে ডাক বিভাগের ৯৮৮৬টি ডাকঘর ও এর কর্মী নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ডিজিটাল আর্থিক খাতে দ্রুততা ও কার্যকারিতার সঙ্গে আমরা যে কোনো অনিয়ম মোকাবিলায় প্রস্তুত।’

গ্রাহকদের জন্য ঝামেলাহীন প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে ডিজিটাল কেওয়াইসি নিবন্ধন উন্মোচন করা হয়েছে। এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে ক্রেতাদের জাতীয় পরিচয়পত্র ও নিবন্ধনকৃত মোবাইল ফোন নিয়ে আসতে হবে।

গ্রাহকের ছবি ও পরিচয়পত্রের তথ্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তায় রিয়েল টাইমে নির্বাচন কমিশনের ডাটাবেজের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হবে। কেওয়াইসি আবেদনপত্রের নির্দিষ্ট ঘর স্বয়ংক্রিয় স্ক্যানিং প্রক্রিয়ায় পরিচয়পত্রের তথ্য থেকে পূরণ হবে।

এ ক্ষেত্রে প্রত্যেক গ্রাহকের জন্য এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে ৩০ সেকেন্ডেরও কম সময়ে। নগদের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর এ. মিশুক বলেন, ‘দেশের যেসব মানুষ আর্থিক অন্তর্ভুক্তির বাইরে রয়েছে তাদের আর্থিক স্বাধীনতা প্রদানের লক্ষ্যেই নগদ কাজ করে যাচ্ছে।

বর্তমানে নগদ অ্যাপটি শুধু অ্যান্ড্রয়েড প্ল্যাটফর্মেই রয়েছে। কম মেগাবাইটের সহজে ব্যবহারযোগ্য এ অ্যাপটির বেটা সংস্করণে ব্যবহারকারী ছিল ৫০ হাজারেরও বেশি।