ভালোবাসা দিবসে জরুরী সেবা ৯৯৯ এর সদস্যদের অস্তিত্ব ফাউন্ডেশনের শুভেচ্ছা

ভালোবাসা শব্দটি খুব সহজেই সকলের সহজাত প্রবৃত্তির সাথে মিশে যায়। কেননা জন্মের পর থেকেই মানুষের বেড়ে উঠা এই ভালোবাসাকে কেন্দ্র করেই। আর তাই ভালোবাসার দিনটিকে নিয়ে সকলের ভাবনাটাও থাকে বিশেষ। প্রেমিক-প্রেমিকা, বন্ধ-বান্ধব, স্বামী-স্ত্রী, মা-সন্তান, ছাত্র -শিক্ষক সহ বিভিন্ন বন্ধনে আবদ্ধ মানুষেরা এই দিনে একে অন্যকে তাদের ভালবাসা জানায়। তবে একটু ভিন্ন ভাবে দিনটি উদযাপন করলো অস্তিত্ব ফাউন্ডেশনের সদস্যরা।

যেকোনো পরিস্থিতিতে এখন সবচেয়ে জরুরি নম্বর হলো ৯৯৯। যেকোনো দুর্ঘটনার মুখোমুখি হলে জরুরি সেবা পেতে দেশের যেকোনো স্থান থেকে যে কেউ এই নম্বরে ফোন করতে পারেন। পুলিশের অধীনে এই কল সেন্টার পরিচালিত হচ্ছে। ভালবাসা দিবসের আজকের আই দিনে যে সকল পুলিশের সদস্যরা দেশের প্রতীতি মানুষকে জরুরী মুহূর্তে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন তাদেরকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছে অস্তিত্ব ফাউন্ডেশনের সদস্যরা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯ এর পুলিশ সুপার মোঃ তোবারক উল্লাহ, সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ মিরাজুর রহমান পাটোয়ারি, অস্তিত্ব ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সাজিদ ইসলাম ও অনন্যা সদস্যরা।

পুলিশ সুপার মোঃ তোবারক উল্লাহ বলেন, আমি অত্যন্ত আনন্দিত আজকের এই দিনে আমাদেরকে স্মরণ করে এমন একটি আয়োজন করা হয়েছে। আমরা সর্বদাই চেষ্টা করি প্রত্যেকের জরুরী প্রয়োজনে তাদের সঠিক সহযোগিতা দিতে। আমরা নিষ্ঠার সাথে আমাদের দায়িত্ব পালন করে যেতে চাই। এভাবে সকলের ভালবাসা ও সহযোগিতা পেলে আমাদের পরিশ্রম সফল হবে এবং ভবিষ্যতে আরও সম্ভাবনাময় মুহূর্তের আবির্ভাব ঘটবে।

জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯ তিনি বলেন, জরুরী সেবা ৯৯৯ এ ফোন করে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও অ্যাম্বুলেন্স সেবা কিংবা এ–সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যাবে। দিনরাত ২৪ ঘণ্টা এ কল সেন্টার চালু থাকে। যেকোনো ফোন থেকে বিনা মূল্যে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করা যায়। আমরা যারা এখানে কাজ করছি, আমাদের লক্ষ্যই হচ্ছে জরুরী প্রয়োজনে মানুষকে সেবা দেওয়া, মানুষের পাশে থাকা। আমাদের মাঝে এমন একটা প্রবণতা রয়েছে আমরা শুধু ওপরের দিকে উঠতে চাই। কিছু ক্ষেত্রে মানবিকতার দিক গুলো আমাদের মাঝে কম কাজ করে। যার কারণে অনেকে ৯৯৯ এ কাজ করতে অস্বীকৃতি জানায়। কিন্তু আমরা যারা আছি আমরা সর্বদাই চেষ্টা করি যেন মানুষ তাদের প্রতীটি জরুরী মুহূর্তে আমাদের পাশে পায়।

সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ মিরাজুর রহমান পাটোয়ারি, ভালবাসার দিনে সকলে নিজেদের আত্মীয় স্বজন, বন্ধু বান্ধব, বাবা মা এদের কথা স্মরণ করে। আমরা যারা আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় বা দেশের মানুষকে ২৪ ঘণ্টা জরুরী সেবা দিয়ে আসছি, জরুরী প্রয়োজন ছাড়া তাদের কথা স্মরণ খুব কম মানুষই করে। আজ অস্তিত্ব ফাউন্ডেশনের কাছ থেকে শুভেচ্ছা পেয়ে সত্যিই আনন্দিত।

অস্তিত্ব ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সাজিদ ইসলাম বলেন, মূলত আমরা চেয়েছি একটু ভিন্ন রূপে ভালবাসা দিবসটিকে মানুষের সামনে তুলে ধরতে। যারা দেশ ও দশের জন্য নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছে ভালবাসার পাওয়ার হকদার তাড়াও। সেই চিন্তা থেকেই এ ধরনের একটি উদ্যোগ নেয়ার কথা ভেবেছি আমরা।