কালীগঞ্জ পৌরসভার উপ-নির্বাচনের ভোট ও পরীক্ষা একই দিনে

ঝিনাইদহ কালীগঞ্জ পৌরসভার মেয়রপদে উপ-নির্বাচন ২৮ ফেব্রুয়ারি। পূর্ব নির্ধারিত ভোটের এ দিনে যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকশিক্ষা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ের পরীক্ষা। বিজি প্রেসের মুদ্রনে ত্রুটির কারণে ১২ ফেব্রুয়ারি আইসিটি পরীক্ষাটি স্থগিত করা হয়।

স্থগিত হওয়া পরীক্ষা ২৮ ফেব্রুয়ারি হবে বলে ওই দিন বিকালেই একটি নোটিশে জানায় যশোর বোর্ড। কালীগঞ্জ পৌর এলাকায় সরকারি ভূষণ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ছলিমুন্নেছা বালিকা বিদ্যালয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে রয়েছে। এ দু’টি কেন্দ্রের ছলিমুন্নেছা বালিকা বিদ্যালয়ে ৫৮০ জন ও সরকারি ভূষণ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৬৪৮ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে।

ফলে একই ভোট ও পরীক্ষা নিয়ে ঝামেলাই পড়েছে স্থানীয় প্রশাসন। যদিও তারা বলছেন বিকল্প স্থানে ভোট গ্রহন হবে। এ ছাড়া শহরে রয়েছে মোবারক আলী মোধ্যমিক বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র ও শোয়াইবনগর ফাজিল মাদ্রসায় রয়েছে দাখিল পরীক্ষার কেন্দ্র। ভোট ও পরীক্ষা একই দিন হলে সবার জন্য হবে নানা ধরনের সমস্যা।

সরকারি ভূষণ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্র সচিব মকবুল হোসেন তোতা বলেন, বিষয়টি আমি যশোর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও কালীগঞ্জ ইউএনওকে জানিয়েছি। প্রাথমিক ভাবে বিকল্প ব্যবস্থায় ভোট নেয়ার কথা জানিয়েছেন।

কালীগঞ্জে ইউএনও সুবর্ণা রানী সাহা বলেন, ডিসি ও বোড কন্ট্রোলারের্র সঙ্গে কথা বলেছি। পরীক্ষা ও ভোট কোনটাই সময় পরিবর্তন না করে কাছাকাছি কোন বিকল্প স্থানে ভোট কেন্দ্র স্থাপন করার কথা জানিয়েছে।

যশোর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসার মাধব চন্দ্র রুদ্র বলেন, পরীক্ষা স্থগিত করার কোন সুযোগ নেই। প্রয়োজনে স্থানীয় প্রশাসন বিকল্প ব্যবস্থায় পার্শ্ববর্তী কোন স্থানে ভোট কেন্দ্র করে ভোট নিবেন। পরিক্ষার তারিখ পরীবর্তন করাটা বড়ই সমস্যা। ১২ ফেব্রয়ারি মঙ্গলবার এসএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ের বহুনির্বাচনী পরীক্ষা হয়। এতে ২৫ টি নির্বাচনী প্রশ্নে নম্বর ছিল ২৫। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে বিতরণ করা প্রশ্নে দেখা যায় শুধুমাত্র ঘ সেট প্রশ্নে ভুলটা ধরা পড়ে।

প্রথম পাতায় ১ থেকে ১২ নম্বর প্রশ্নএসেছে সংশ্লিষ্ট বিষয় থেকে। এ ছাড়া দ্বিতীয় পাতায় ১৩ থেকে ২৫ পর্যন্ত প্রশ্ন গুলো এসেছে ক্যারিয়ার শিক্ষা থেকে। পরে পরীক্ষাটি বাতিল ঘোষণা করে বিবৃতি প্রদান করেন যশোর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসার মধাব চন্দ্র রুদ্র।

জাহিদুর রহমান তারিক, ঝিনাইদহ প্রতিনিধি