ইন্দুরকানীতে এসএসসি পরিক্ষার্থীদের মানববন্ধন 

পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে বোর্ডের নিয়ম অমান্য করে পরিক্ষার্থীদের বৈধ ক্যালকুলেটর জব্দ করায় ফলাফল বিপর্যয়ের আশংকার প্রতিবাদ ও দ্বায়িত্বরত র্কমর্কতার শাস্তির দাবীতে মানববন্ধন র্কমসূচি পালন করেছে উপজলার এসএসসি পরিক্ষার্থীরা। রবিবার সকালে ইন্দুরকানী প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন র্কমসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মানববন্ধনে পরিক্ষাকেন্দ্রে দ্বায়িত্বরত উপজেলা প্রানিসম্পদ র্কমর্কতা আনোয়ার হোসেনের শাস্তির দাবি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন পরিক্ষার্থী চাদঁনী আক্তার, এশা আক্তার, পরিক্ষার্থী সায়মা আক্তারের মাতা মাহিনুর খানম, ইন্দুরকানী মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অভিবাবক সদস্য ফরিদ হোসেন। বক্তারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীর দৃষ্টি আর্কষন ও দোষী র্কমর্কতার শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, শনিবার উপজেলার ইন্দুরকানী সেতারা স্মৃতি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে এসএসসি পরিক্ষার সাব-কেন্দ্রে গনিত পরিক্ষার প্রথম ৩০ নম্বরের ৩০ মিনিটের এমসিকিউ পরিক্ষা শুরু হওয়ার আগেই দ্বায়িত্বরত উপজেলা প্রানিসম্পদ র্কমর্কতা আনোয়ার হোসেন সকল পরিক্ষার্থীদের বৈধ ক্যালকুলেটর নিয়ে যায়। এসময় পরিক্ষার্থীরা দ্বায়িত্বরত র্কমর্কতাকে তাদের ক্যালকুলেটর বৈধ দাবি করে ফেরত চাইলে উপজেলা প্রানিসম্পদ র্কমর্কতা দাম্ভীকতার সাথে পরিক্ষার্থীদের বলেন, আমি বিসিএস দিয়ে এসেছি সব নিয়ম জানি। এসময় পরিক্ষার্থীরা উত্তেজিত হলে ১৭ মিনিট পর বৈধ ক্যালকুলেটর ফেরত দেন। এতে অধিকাংশ পরিক্ষার্থীদের পরিক্ষা খারাপ হয়। বোর্ডের নিয়ম মেনেই পরিক্ষার্থীরা উল্লেখিত মডেলের ক্যালকুলেটর নিয়ে পরিক্ষা কেন্দ্রে যায়। কিন্তু বোর্ডেও নিয়ম না মেনেই দ্বায়িত্বরত র্কমর্কতা সকলের ক্যালকুলেটর জব্দ করে।

দ্বায়িত্বরত র্কমর্কতা আনোয়ার হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমার কোন মন্তব্য নেই, উপজেলা নিবার্হী কর্মর্কতাকে জিজ্ঞাস করুন।

উপজেলা নিবার্হী র্কমর্কতা রাজিব আহমেদ জানান, আমাকে বিষয়টি জানালে আমি দ্রুত দায়িত্বরত র্কমর্কতাকে বৈধ ক্যালকুলেটর ফেরত দিতে বলি। কিন্তু যখন ফেরৎ দিলেন তখন ৩০ মিনিটের ১৭ মিনিট পেরিয়ে গেছে এ সমস্যার কোন সুষ্ঠ সমাধান ও করেনি পরিক্ষা পরিচালনা কর্মকর্তারা এতেই ক্ষোভ প্রকাশ কররেন অভিবাবক ও পরিক্ষার্থীগন।

মোঃ হাসিব বিল্লাহ, পিরোজপুর প্রতিনিধি

SHARE

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here