‘সরকারের মাদক নির্মূলের পদক্ষেপকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে অপ-সাংবাদিকতা’

ফেব্রুয়ারিতে আত্মসমর্পণ করতে পারেন কক্সবাজারের ইয়াবা ব্যবসায়ীরা। ইয়াবা নির্মূলে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপকে সফল করার জন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজ করছে। আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ীরাও থাকছেন৷ এই প্রক্রিয়া চালাতে গিয়ে পুলিশ নতুন নতুন গডফাদারের নাম জানতে পারছে বলে জানা গেছে৷ আর এই শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সাথে বারবারই একটি নাম জড়িয়ে যাচ্ছে, কক্সবাজার-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদির। আবদুর রহমান বদি সম্পর্কে যে বিতর্ক আছে সেটা কী প্রমাণিত?

আজ (১০ই ফেব্রুয়ারি) রবিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে দুঃখ প্রকাশ করে একটি স্ট্যাটাসের দেন বদি পুত্র শাওন আরমান। স্ট্যাটাসে তিনি বলেন,

‘মরননেশা ইয়াবা নির্মূলে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপকে সফল করার জন্য যখন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজ করছে ঠিক তখনই কিছু অপ-সাংবাদিক সরকারের এই উদ্যোগকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য নানা ধরনের মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রচার করে জনমনে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করছে। গত রাত থেকে বিভিন্ন অনলাইন মিডিয়াতে “ইয়াবা ব্যবসায়ীদের আত্মসমর্পণ” নিয়ে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। যে সংবাদে আমার পিতাকে জড়িয়ে একটি ভিত্তিহীন, মিথ্যা ও মনগড়া তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে। কথিত এসব মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রকাশ করে মূলত সরকারের মাদক নির্মূলের যে পদক্ষেপ সেটাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হচ্ছে। এসব অপ-সাংবাদিক মূলত ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এজেন্ট হিসেবে কাজ করছে। আমি এ ধরনের সংবাদ প্রকাশের তীব্র নিন্দা জানায়। সেই সাথে মাদক নির্মূলে সরকারের গৃহীত সকল পদক্ষেপে স্বাগত জানায়।’

ইয়াবা ব্যবসার সাথে যেন বরাবরি নাম জড়িয়ে পরছে টেকনাফ-উখিয়ার সরকার দলীয় সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদির। ইয়াবার সাথে জড়িত থাকার মিথ্যা অভিযোগ উঠার শুরু থেকেই বারবার ইয়াবার সাথে তিনি কোনভাবেই জড়িত নন বলে দাবি করেছেন। সরকারের সর্বশেষ তৈরী করা ইয়াবার গডফাদারের তালিকা থেকে বাদ পরার পর এই মিথ্যা অভিযোগ থেকে মুক্ত হলেও যেন প্রশ্নটা থেকেই যাচ্ছে। আর উসকানি মূলক এসব প্রশ্ন বৃদ্ধি পাচ্ছে অপ-সাংবাদিকতার করনে বলেও মন্তব্য করেন।