বেটিংয়ে নেমে ছক্কাবৃষ্টি নামিয়েছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস!

চট্টগ্রাম পর্বে নিজেদের প্রথম ম্যাচে খুলনা টাইটানসের বিপরীতে মাঠে নেমেছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস। তবে মাঠে নেমে টসভাগ্য পাশে পায়নি কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস। টসে জিতেছে খুলনা টাইটানস সিদ্ধান্ত নিয়েছে আগে বোলিং করার। তবে বেটিংয়ে নেমে যেন ছক্কাবৃষ্টি নামিয়েছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস। বিপিএলের চট্টগ্রাম পর্বে নিজেদের প্রথম খুলনা টাইটানসের বোলারদের নিয়ে রীতিমতো ছেলেখেলা করছেন কুমিল্লার মারমুখী ওপেনার এভিন লুইস।

টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা রয়ে সয়ে করলেও, ক্রমেই খোলস ছেড়ে বেরিয়ে একের পর এক ছক্কা হাঁকাতে শুরু করেছেন লুইস। তাকে যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন অধিনায়ক ইমরুল কায়েস।

ইনিংসের অষ্টম ওভারে পরপর দুই বলে তামিম ইকবাল ও এনামুল হক বিজয়কে ফিরিয়ে কুমিল্লার রানের চাকা ধীর করে দেন খুলনা অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। তাই তার ওভার থেকেই যেনো ঝড়টা নামান লুইস-ইমরুল।

প্রথম ১১ ওভার শেষে কুমিল্লার সংগ্রহ ছিলো ২ উইকেটে ৮৩ রান। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের করা ১২তম ওভার থেকে ১টি করে চার-ছক্কার মারে ১৭ রান নেন লুইস। ডেভিড উইজের করা পরের ওভারেও আসে ১৭ রান। এই ওভারে ২টি চারের সঙ্গে ১টি ছক্কাও হাঁকান ইমরুল।

মোহাম্মদ সাদ্দামের করা ১৪তম ওভারটিতে মূল ঝড় বইয়ে দেন লুইস। ৪টি বিশাল ছক্কার মারে নিয়ে নেন ২৮ রান। শরীফুল ইসলাম করতে আসেন ১৫তম ওভার। প্রথম দুই বলে ১টি করে চার-ছক্কা মেরে ১০ রান নিয়ে পরের বলে আউট হন ইমরুল। তবে শেষে তিন বলে আরও ১টি করে চার-ছক্কা হজম করে মোট ২২ রান খরচ করেন শরীফুল।

১১ ওভার শেষে কুমিল্লার সংগ্রহ যেখানে ছিলো ২ উইকেটে ৮৩, সেখানে ১৫ ওভারে তাদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩ উইকেটে ১৬৭ রান। অর্থাৎ প্রথম ১১ ওভারে ৮৩ রান নেয়া কুমিল্লা পরের ৪ ওভারেই নেয় ৮৪ রান। ইমরুল ২১ বলে ৩৯ করে আউট হলেও লুইস ৩৮ বল ৮১ রান নিয়ে অপেক্ষায় রয়েছেন নিজের সেঞ্চুরির।