স্কুলছাত্রী গণধর্ষণ, ধর্ষকের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার!

একটি গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি সজল জোমাদ্দার নামের এক যুবকের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া থেকে উদ্ধার করা হয় লাশটি। শনিবার দুপুরে উপজেলার শৌলজালিয়া ইউনিয়নের বলতলা গ্রামের একটি মাঠ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত সজল পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার নদমুলা গ্রামের আবুল হোসেন জোমাদ্দারের ছেলে। সে ভান্ডারিয়া থানার একটি গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি। 

পুলিশ জানান, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে সজলের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতের বুকে লেমিনেটিং করা একটি কাগজে লেখা ছিল তার নাম সজল। সে মাদ্রাসা ছাত্রী কারিমা ধর্ষণ মামলার আসামি। ধর্ষণের কারণে তার এই পরিণতি।

খবর পেয়ে ঝালকাঠির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (রাজাপুর-কাঁঠালিয়া সার্কেল) মো. মোজাম্মেল হোসেন রেজা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

উল্লেখ্য, ১২ জানুয়ারি সকাল ১১টার দিকে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার নদমুলা গ্রামের বাড়ি থেকে পাশের হেতালবুনিয়া নানা বাড়ি বেড়াতে যায় ওই ছাত্রী। পরে ওই ছাত্রীকে তুলে নিয়ে পানের বরজের ভেতর নিয়ে গণধর্ষণ করা হয়। এ মামলায় সজলকে প্রধান আসামি করে গত ১৪ জানুয়ারি ভান্ডারিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের হয়। মামলার পর থেকেই সজল জোমাদ্দার নিখোঁজ ছিল বলে তার পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।

কাঠালিয়া থানার ওসি মো. এনামুল হক জানান, দুপুরে এলাকাবাসীর তথ্যে ভিত্তিতে ভান্ডারিয়া থানার একটি ধর্ষণ মামলার ২ নম্বর আসামি সজলের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের চাচা তাকে শনাক্ত করেছেন। আইনগত কার্যক্রম শেষে তার মরদেহ মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। তার কানের পাশে একটি ক্ষত দেখা গেছে। ধারণা করা হচ্ছে তাকে কেউ গুলি করে মেরেছে।