সিরাজদিখানে আওয়ামীলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ

সিরাজদিখানে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামীলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে উপজেলার মালখানগর ইউনিয়নের তালতলা বাজারের দক্ষিণ পাশে ঘন্টাব্যাপী এ ঘটনা ঘটে।

এ সময় দুই পক্ষ টেঁটা, বল্লম, রামদা, চাপাটি ও হকিষ্টিক নিয়ে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া শুরু করে। তবে হতাহতের কোন খবর পাওয়া যায়নি। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করলেও এলাকায় থমধমে আবস্থা বিরাজ করছে। এ ঘটনায় পুলিশের উপর আক্রমনের কারণে উপজেলা চেয়ারম্যানের ভাতিজা মামুন আহম্মেদকে আটক করেছে পুলিশ।

তালতলা বাজার ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন যাবৎ মামুন আহম্মেদ গ্রুপ ও বাবু দেওয়ান গ্রুপ তালতলা বাজার এলাকায় প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে শত্রুতা বিরাজ করছে। এর আগেও গত বছর কয়েক দফা দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। হতাহতের ঘটনা ও একাধিক মামলা রয়েছে। একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার দেড় ঘন্টা ব্যাপী দুই পক্ষ সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে ও উপজেলা চেয়ারম্যানের ভাতিজা মামুন আহম্মদকে ধরে নিয়ে যায়। সিরাজদিখান থানার ওসি ও ওসি তদন্ত ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেছেন। এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। বাবু দেওয়ান উপজেলা যুবলীগের সদস্য ও মামুন আহম্মেদ ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা।

সিরাজদিখান উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি মহিউদ্দিন আহম্মেদ বলেন, আমি এলাকার বাইরে আছি, তবে এ রকম একটি বিষয় আমি অবগত আছি। পুলিশ আমার ভাতিজা মামুনকেও আটক করেছে। সে অপরাধী হলে তার বিচার হবে তাতে আমার কোন আপত্তি নেই।

এ বিষয়ে সিরাজদিখান থানার ওসি (প্রশাসন) মো. ফরিদ উদ্দিন জানান, পুলিশের উপর আক্রমন করায় মামুন আহম্মেদকে আটক করা হয়েছে। সে সিরাজদিখান থানার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী। পুলিশ ওয়ারেন্ট তামিল করে আসামীকে ধরতে ঘটনাস্থলে গেলে মামুন ও তার দলবল পুলিশের উপর আক্রমন করে। তার বিরুদ্ধে পুলিশ এ্যাসল্ট মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এলাকায় পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রনে রয়েছে। #

আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, সিরাজদিখান (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি