সৈয়দ আশরাফুলের মৃত্যুতে ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি স্থগিত ঘোষণা

স্বাধীনতার মহান স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর, মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক সৈয়দ নজরুল ইসলামের সুযোগ্য পুত্র বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর প্রেসিডিয়াম সদস্য ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর সাবেক সফল সাধারণ সম্পাদক শ্রদ্ধেয় জননেতা জনাব সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম এম পি এর মৃত্যুতে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সব কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে।

এর আগে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরি শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সব কর্মসূচির ঘোষণা দেয়া হয়েছিল। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ছাত্র সংগঠনটির পক্ষে আরও একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে শুক্রবার ও এর পরবর্তী সব কর্মসূচি স্থগিত করার কথা জানানো হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মৃত্যুতে জাতি আজ গভীর শোকে আচ্ছন্ন। মরহুদের বিদেহী আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ছাত্রলীগের ৭১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন-পরবর্তী সব কর্মসূচি স্থগিত করা হল।

ছাত্রলীগ সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানীর সই করা বিজ্ঞপ্তিতে শুক্রবার বাংলাদেশ ছাত্রলীগ পরিবারের পরম শ্রদ্ধাভাজন অগ্রজ, সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে সকল সাংগঠনিক ইউনিটকে বাদ’জুমা মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করার নির্দেশ দেয়া হয়।

ফুসফুসের ক্যান্সারের সঙ্গে লড়ছিলেন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। ব্যাংককের হাসপাতালে কয়েক মাস চিকিৎসাধীন থাকার পর বৃহস্পতিবার রাতে তার মৃত্যু হয়।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সৈয়দ আশরাফ মৃত্যুর আগ পর্যন্ত জনপ্রশাসনমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন।

বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর সৈয়দ নজরুল ইসলামের ছেলে সৈয়দ আশরাফ ২০০৭ সালের জরুরি অবস্থার মধ্যে শেখ হাসিনা গ্রেফতার হওয়ার পর দলের হাল ধরেন। পরে দলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে আসেন তিনি।