ঢাকা-৭ আসনে খুঁজে পাওয়া যায়নি ধানের শীষের এজেন্টদের

শুরু হল একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে। রোববার সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়, চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। নির্বাচন নিয়ে ‘উৎকণ্ঠা’ থাকলেও সকাল থেকে উৎসব মুখর পরিবেশে ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। ঢাকা-৭ (লালবাগ-চকবাজার, কোতোয়ালী ও বংশাল) আসনের একটি ভোটকেন্দ্র আজিমপুর নতুন পল্টন স্কুল অ্যান্ড কলেজ। কেন্দ্রটিতে মোট ভোটার সংখ্যা ৭ হাজার ৩৩৫। এর মধ্যে ৩ হাজার ৯৭৩ পুরুষ ভোটার এবং ৩ হাজার ৩৬২ নারী ভোটার।

কেন্দ্রের দ্বিতীয় তলায় নারী ও তৃতীয় তলায় পুরুষদের মোট ৭টি বুথে ভোটগ্রহণ চলছে। প্রতিটি বুথে চেয়ার-টেবিল পেতে বসে আছেন সহকারী প্রিসাইডিং ও পোলিং অফিসাররা। পাশেই লম্বা বেঞ্চে বিভিন্ন প্রার্থীর এজেন্টরা ভোটার লিস্ট নিয়ে বসে ভোটার ঠিক আছে কি না তা দেখছেন। এরা কেউ নৌকা, কেউ হাতপাখা আবার কেউবা মাছ ও অন্যান্য প্রতীকের এজেন্ট। তবে সব দলের এজেন্ট খুঁজে পাওয়া গেলেও পাওয়া যায়নি শুধু ধানের শীষের এজেন্টদের।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রিসাইডিং অফিসার আজিমপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রভাষক মো. আহসানুজ্জামানও স্বীকার করেন, এ কেন্দ্রে ধানের শীষের কোনো এজেন্ট নেই।

তিনি জানান, প্রতিটি বুথে প্রত্যেক প্রার্থীর একজন করে এজেন্ট থাকলেও ধানের শীষের প্রার্থীর কোনো এজেন্ট নেই। কারণটি তারও জানা নেই বলে মন্তব্য করেন।

তিনি জানান, সকাল থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত সাতশ’র বেশি ভোট পড়েছে। ভোটাররা স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট প্রদান করছেন।

ঢাকা-১০ আসনের একটি কেন্দ্র নিউমার্কেটের অদূরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ইনস্টিটিউট। এ কেন্দ্রটির সামনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপসের সমর্থকরা চেয়ার-টেবিল পেতে বসে আছেন। ভোটার এলে তারা হাতে স্লিপ ধরিয়ে দিচ্ছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন ভোটার জানান, এ কেন্দ্রটিতে অন্য কোনো প্রার্থীর এজেন্ট নেই। শুধু নৌকার পক্ষেই ভোট দেয়া হচ্ছে। একজন একাধিক ভোটও দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।