আমি আশাবাদী নৌকার জয় হবেই হবেঃ শেখ হাসিনা

আজ (রোববার) সকাল ৮টার সময় রাজধানীর ঢাকা সিটি কলেজ কেন্দ্রে গিয়ে তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানমন্ডি সুধাসদনের ঠিকানায় ভোটার হওয়ায় তিনি এ কেন্দ্রে ভোট দেন। এ সময় কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়।

ভোট প্রদান শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে আশাবাদ ব্যক্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমি আশাবাদী নৌকার জয় হবেই হবে। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতেই দেশের মানুষ নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে বিজয়ী করবে ইনশাআল্লাহ। তিনি বলেন, নির্বাচনের ফলাফল যাই হোক আমরা অবশ্যই তা মেনে নেব।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি এইমাত্র ভোট দিয়ে আসলাম। আমি আশা করি নৌকার জয় হবেই। স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার জয় হবে। স্বাধীনতার সপক্ষের শক্তির জয় হবে। বাংলাদেশের লোক স্বাধীনতার পক্ষে নৌকার পক্ষে ভোট দেবে। বাংলাদেশ যে উন্নয়নের মহাসড়কে সেই উন্নয়ন ও অগ্রগতির যাত্রা অব্যাহত রাখতেই বাংলার জনগণ নৌকা মার্কায় ভোট দেবেন এবং আরেকবার সেবা করার সুযোগ দেবেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন উন্নয়নশীল দেশ। আরেকবার দেশের সেবা করার সুযোগ পেলে বর্তমান সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে দেশকে আরও উন্নত করতে সক্ষম হব। তিনি বলেন, ‘ আমি মনে করি নৌকার জয় হবেই হবে, জয়বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।’

গণমাধ্যমকর্মীদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গতকাল থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানের নির্বাচনী পরিবেশ মনিটরিং করেছি। তিনি জানান, গতকাল আওয়ামী লীগের চারজন কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। নোয়াখালীতে বিএনপির এক নেতা প্রার্থীর নেতৃত্বে ব্যালটবাক্স ছিনতাই করেছে। গত কয়েকদিনে আওয়ামী লীগের উপজেলা-সভাপতিসহ ১০ জনকে হত্যা করা হয়।

তিনি বলেন, আমরা সহিংসতা চাই না। শান্তিপূর্ণ মৌলিক অধিকার ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। যাকে খুশি তাকে ভোট দেবেন।

তিনি আরও বলেন, শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হলে যেই দলই ক্ষমতায় আসুক উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে দেশ স্বাধীন হয়েছে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় অাসার পর দেশের উন্নয়ন হয়েছে। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকলে দেশের দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফুটবে।

এ সময় বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ রেহানা এবং প্রধানমন্ত্রীর মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল উপস্থিত ছিলেন। তারাও একই কেন্দ্রে ভোট দেন।