সারাদেশে র‍্যাবের ৫৭ টি ক্যাম্প, মোতায়েন থাকবে ১০ হাজার সদস্য

বৃহস্পতিবার র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত জাতীয় নির্বাচনের নিরাপত্তা বিষয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সারাদেশে ১০ হাজার র‍্যাব সদস্য মোতায়েন করা হবে বলে জানান র‍্যাব মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ। দেশের কোথাও যদি কেউ সহিংসতা করার দুঃসাহস দেখায় সেটি প্রতিরোধে র্যাবের পর্যাপ্ত প্রস্তুতি রয়েছে।

র‍্যাব মহাপরিচালক বলেন, সারাদেশে র‍্যাবের ৫৭ টি ক্যাম্প করা হয়েছে, মোতায়েন থাকবে ১০ হাজার সদস্য। দেশের যেকোনো প্রান্তে যেকোনো ধরনের সহিংসতা বা অন্য জরুরি প্রয়োজনে যেতে র‍্যাবের ২ হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হবে নির্বাচন কমিশন থেকে ইতোমধ্যে দুটি হেলিকপ্টার ব্যবহারের অনুমতি নেয়া হয়েছে। এ ছাড়াও সেনাবাহিনীর দুইটি হেলিকপ্টার স্ট্যান্ডবাই হিসেবে থাকবে।

র‍্যাবের একটি স্পেশাল বাহিনী রয়েছে। প্রয়োজনে তারাও দেশের যেকোনো প্রান্তে ছুটে যাবে। গতকাল থেকে সারাদেশে র‍্যাব সদস্য মোতায়েন করা শুরু হয়েছে। এ ছাড়া আমাদের গোয়েন্দা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। কোথাও ধ্বংসাত্মক কোনো ঘটনা ঘটলে এ সংক্রান্ত কোনো তথ্য থাকলে অথবা গ্রাম বা শহরে যেকোনো জায়গায় অপরিচিত কাউকে দেখলে র‍্যাবকে জানানোর অনুরোধ জানান সংস্থাটির মহাপরিচালক।

তিনি বলেন, সমগ্র জাতি উন্মুখ হয়ে বসে আছে নির্বাচনে ভোট দেয়ার জন্য। সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য র‍্যাব এক বছর ধরে কাজ করছে আমাদের। এ কাজে ব্যাপক হুমকি ও চ্যালেঞ্জ ছিল। তবে এক বছরে অবৈধ অস্ত্র ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি অভিযান চালিয়েছি তাদের গ্রেফতার করি। কালোটাকা বিরুদ্ধেও আমরা অভিযান শুরু করেছি।

র‍্যাব মহাপরিচালক আরও বলেন, নির্বাচনে দায়িত্ব পালনের জন্য র‍্যাবের সকল ধরনের প্রশাসনিক প্রস্তুতি রয়েছে। সবাইকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী র‍্যাবের মোবাইল টিম ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে। রিটার্নিং অফিসার বললে র্যাব সে অনুযায়ী কাজ করবে।

কোনো বাহিনীর পরিচয় দাবি করে কেউ যদি কারও কাছ থেকে টাকা চায় তাহলে সঙ্গে সঙ্গে র‍্যাবকে জানানোর অনুরোধ জানান তিনি।

নির্বাচনে হামলার হুমকি নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা সব হুমকির বিরুদ্ধে প্রস্তুত থাকতে চাই, যাতে করে কেউ আমাদের সারপ্রাইজ করতে না পারে। আমি সবাইকে অনুরোধ করবো আপনারা আতঙ্কিত না হয়ে আমাদের ওপর আশ্বস্ত হতে পারেন।