ফোনালাপে প্রকাশ পেল ড. কামাল হত্যার পরিকল্পনা

রাজনৈতিক পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টায় জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা ড. কামাল হোসেনকে হত্যার পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে এক টেলিফোন আলাপে তথ্য মিলেছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এই হত্যার পরিকল্পনা করছেন বলে ফোনালাপে বলা হয়েছে।

গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টুর সঙ্গে শওকত নামে সিলেটের স্থানীয় এক রাজনীতিবিদের ফোনালাপ প্রকাশ্যে এনেছে দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল। আজ বুধবার সকাল ৯টার পর আলাপ হয় তাদের। আর সেই আলাপেই শওকত জানান ড. কামাল হোসেনকে হত্যার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। ফোনালাপ থেকে জানা যায়, শেষ চেষ্টা হিসাবে লন্ডনে এই হত্যা পরিকল্পনা করা হয়েছে। মোস্তফা মহসিন মন্টুর সঙ্গে শওকতের কথোপকথন তুলে ধরা হলো :

শওকত : মন্টু ভাই, আমি শওকত বলছিলাম বিএনএফ।
মন্টু   : হ্যাঁ, শওকত বলো।
শওকত : ভাই আমি একটা ইম্পর্ট্যান্ট খবর দেওয়ার জন্য আপনাকে ফোন করেছিলাম। আপনি ড. কামালকে যে কোনো ভাবে কোনো নিরাপত্তা হেফাজতে নিয়ে যান। উনার উপরে এটেম্প আছে। যদি টাকা পয়সায় কাজ না হয় বিএনপির, তাহলে লাস্ট পরিকল্পনা হলো কামাল হোসেনকে হত্যা করা। আমি লন্ডন থেকে খবর পেয়েছি যে, তারেক রহমানের খুব ক্লোজ কর্মী কারণ আপনি জানেন যে বিএনপির সব নেতাকর্মী সিলেটের এবং দুবাইতে অলরেডি ৭ জন কিলার পাকিস্তানি বাংলাদেশে ঢুকছে এবং লাস্ট মোমেন্টে তারা চেষ্টা করবে ইভেন ইলেকশনের আগের দিন হলেও ড. কামালকে হত্যা করা। আমি ডিসি ডিবিকে বলসি। তারা বলল যে, ড. কামাল হোসেনকে নিয়ে আসেন।
মন্টু : ওরা কোথায় নিয়ে যাবে?
শওকত : ওরা নিয়ে যাবে সেফ কাস্টডিতে রাখবে। অ্যারেস্ট না।
মন্টু : কাস্টডিতে রাখলে, কাস্টডি থেকে নিরাপত্তা দিলে তো…

শওকত : কিন্তু বাইরে থাকলে তো ওনার লাইফ রিস্কে থাকবে।
মন্টু : কেন ওরা কি কারণে নিয়ে যাবে?
শওকত : ওনার জীবনের নিরাপত্তার জন্য। যে গ্রাউন্ড তো ব্যাপার না এখানে মন্টু ভাই।
মন্টু : নিরাপত্তা তো বঙ্গবন্ধুর বাড়িতেও ছিল না, জাতীয় চার নেতার জেলখানার ভিতরেও ছিল না।
শওকত : না না না মন্টু ভাই, সেটাতো ধরেন তখন কাফেরদের হাতে ছিল।
মন্টু : আমাদের হেফাজতে কি মানুষ মরে না?
শওকত : না তা তো মরে, কিন্তু এটা তো রাজনৈতিক ফায়দা লুটার জন্য যদি কেউ করে, তাহলে তো এখন….

এই কথার পর যদিও অডিওতে আর কোনো কথা ছিল না।