সিইসির আচরণ ভদ্রজনিত না হওয়ায় সভা বয়কট করলেন ফখরুল

সিইসির আচরণ ভদ্রজনিত না হওয়ায় আজকের বৈঠক বর্জন করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদার বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ করেন। সরকার ও নির্বাচন কমিশন যৌথভাবে নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করেছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় নির্বাচন কমিশনের সাথে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক শুরু হয়। প্রায় পৌনে দুই ঘন্টা পর সিইসির আচরণে অসন্তুষ্ট হয়ে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে নির্ধারিত বৈঠক শেষ না করে বের হয়ে এসেছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা। এরপর বৈঠক থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেছেন।

মির্জা ফখরুল সাংবাদিকদের জানান, ‘সরকার ও নির্বাচন কমিশন যৌথভাবে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করছে এবং নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করেছে। ইসি সরকারের পক্ষ হয়ে গেছে। সিইসির আচরণ ভদ্রজনিত ছিল না। এজন্য আমরা সভা বয়কট করেছি। তবে আমরা নির্বাচনে ফাঁকা মাঠে গোল দিতে দেব না। দেশের এই অবস্থায় সিদ্ধান্ত এখন জনগণের হাতে। সারা দেশে ধানের শীষ প্রার্থীদের ওপর হামলা চালানো হচ্ছে। প্রচারে বাঁধা দেয়া হচ্ছে। গ্রেফতার, মামলা চলছেই। পোস্টার লাগাতে দেয়া হচ্ছে না। কোথাও কোথাও পুলিশের উপস্থিতিতে হামলা করা হচ্ছে। প্রশাসনকে জানিয়েও কোনো প্রতিকার পাওয়া যাচ্ছে। গতকালও ২৮টি স্থানে হামলা হয়েছে।’

উল্লেখ্য, বৈঠকে অন্যান্য কমিশনাররাও উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বৈঠকে ড. কামালসহ আরও ছিলেন- বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু, ডা. জাফরুল্লাহ প্রমূখ।