নৌকার প্রচারণায় মাঠে নেমেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দুই নাতনি

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকার প্রচারণায় মাঠে নেমেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দুই নাতনি (সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের মেয়ে) আলীজে খন্দকার রুপন্তী এবং আমরিন খন্দকার সামন্তী। ফরিদপুর-৩ (সদর) আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেনের পক্ষে মাঠে নামেন তারা। সোমবার (২৪ ডিসেম্বর) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ফরিদপুর সদর আসনের একাধিক স্থানে পথসভায় তারা নৌকা প্রতীকে ভোট চেয়ে বক্তৃতা করেন!

সকালে সদর উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নে দুটি সভায় রূপন্তী ও অবন্তী বর্তমান সরকারের উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরে সবার কাছে ভোট চান। বিকালে ফরিদপুর পৌরসভার অম্বিকাপুর খেয়াঘাট সংলগ্ন বক্তার হোসেন খানের বাড়িতে উঠান বৈঠকে তারা যোগ দেন।

এসময় তারা বলেন, গত ১০ বছরে ফরিদপুরে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে। আর এসব উন্নয়ন কর্মকাণ্ড হয়েছে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনের হাত ধরেই।

উন্নয়নের এ ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আগামী নির্বাচনে আবারও সবাইকে নৌকা প্রতীকে ভোট দিতে হবে। ৭নং ওয়ার্ড মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী মদিরা আহমেদের সভাপতিত্বে বক্তৃতা করেন জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ঝর্না হাসান, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনের বোন ওয়াহিদা বেগম, মেয়ে শারিকা মিল্লাত রিতু, আওয়ামী লীগ নেতা জাহিদ বেপারী, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেন্টু, শ্রমিক লীগ নেতা বক্তার হোসেন খান, মাজেদুর রহমান মাজেদ প্রমুখ।প্রধানমন্ত্রীর নাতনিদের একনজর দেখতে বিভিন্ন স্থান থেকে বিপুল সংখ্যক মহিলা ভিড় জমান।

আদর্শে বঙ্গবন্ধু, প্রতীকে ধানের শীষ! স্লোগানে ‘জয় বাংলা’, আদর্শে বঙ্গবন্ধু, অথচ নির্বাচনের প্রতীক হচ্ছে ধানের শীষ। এ স্লোগান, আদর্শ আর প্রতীক নিয়েই মৌলভীবাজার-২ আসনে লড়ছেন সুলতান মোহাম্মদ মনসুর। রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই’ এ আপ্তবাক্যেরই যেন নিখাদ উদাহরণ সুলতান মনসুর। একসময় নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করে সংসদ সদস্য হওয়া এই সাবেক ছাত্রনেতা প্রতীক বদলালেও তার জনপ্রিয়তা কাজে লাগিয়ে গণজোয়ার সৃষ্টিতে লড়ছেন।

স্থানীয় মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মৌলভীবাজার-২ আসনে ভোটারদের কাছে প্রতীক নয়, ব্যক্তিই মুখ্য বলে বিবেচিত হয়। অতীতে অনেক হেভিওয়েট নেতাও দলীয় প্রতীক নিয়ে এ আসনে নির্বাচন করে পরাজিত হয়েছেন। নবম জাতীয় নির্বাচনে এ আসনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছিল। এখানকার মানুষের মধ্যে সুলতান মনসুরকে ঘিরে অন্যরকম আবেগ ও ভালোবাসা কাজ করে।

অতীতে সংসদ সদস্য থাকাকালে এলাকার উন্নয়নে নিবেদিত ছিলেন তিনি। ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা আর অতীতের উন্নয়ন কর্মকান্ডের কারণে এবারও সুলতান মনসুরকে ঘিরে সাধারণ মানুষের আগ্রহ সবচেয়ে বেশি।