নাগরিক সুবিধা সহ ৩০ প্রতিশ্রুতি দিয়ে ইসলামী আন্দোলনের ইশতেহার ঘোষণা

শুক্রবার (২১ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের কানফারেন্স লাউঞ্জে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করে ইসলামী আন্দোলন।দুর্নীতি, দুঃশাসন, সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত কল্যাণকর রাষ্ট্র গঠন করে জনগণকে নাগরিক সুবিধা দেওয়াসহ ৩০টি বিষয় বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

সংবাদ সম্মলনে দলটির আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই ইশতেহার ঘোষণা করেন। এ সময় দলের অনান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিলেও যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রতিশ্রুতি নেই দলটির ইশতেহারে।নির্বাচনী ইশতেহারের ২১টি বিষয়কে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়ে রেজাউল করীম পীর সাহেব বলেন, স্বাচ্ছন্দে ক্রয়ের জন্য খাদ্যমূল্য স্বাভাবিক মূল্যের চেয়ে ২০ শতাংশ কমানো হবে। জীবনকে স্বাচ্ছন্দময় করে তোলা এবং শিল্প উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে জ্বালানি তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম ৩০ শতাংশ কমানো হবে। মানবিক কারণে রিকশা, ভ্যান ও ঠেলাগাড়ির লাইসেন্স ফি মওকুফ করা হবে। সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ, মন্দির গির্জাসহ সকল প্রতিষ্ঠানের প্রধান সেবককে ভাতা দেওয়া, পরিবহন বাড়া ৩০ শতাংম কমানো, স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে চিকিৎসা ব্যয় ৫০ শতাংশ কমানো, গণপরিবহনের লাইসেন্স ফি অর্ধেক করা হবে ৷

তবে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিলেও যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রতিশ্রুতি নেই দলটির ইশতেহারে।