ঢাকা-১৭ আসন থেকে নিজেকে সরিয়ে নিতে পারেন এরশাদ

ঢাকা-১৭ আসন থেকে নিজেকে সরিয়ে নিতে পারেন সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ। সিঙ্গাপুর থেকে ফিরে এরশাদ নিজেই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। আর এ খবরে জাপার তৃণমূল নেতাদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

বর্তমানে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে অবস্থান করছেন এরশাদ। তবে ২২ ডিসেম্বর দেশে ফিরে তিনি ঢাকা-১৭ ছেড়ে দিতে পারেন বলে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিজ জেলা রংপুর সদরের (রংপুর-৩) পাশাপাশি ঢাকার গুলশান, বনানী, সেনানিবাস (ঢাকা-১৭) আসনেও প্রার্থী হয়েছিলেন এরশাদ। এর মধ্যে রংপুরের আসনটি ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ তাদের মহাজোটের শরিক জাতীয় পার্টিকে ছেড়ে দিলেও ঢাকার আসনটিতে এরশাদের বিপরীতে দাঁড় করিয়েছেন চিত্রনায়ক আকবর হোসেন পাঠান ফারুককে।

এরশাদের অনুপস্থিতে তার পক্ষে নেতাকর্মীরা রংপুর এবং ঢাকার আসনে প্রচারণা চালাচ্ছেন। এমনকি আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২০ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টায়ও শাহাজাদপুর (সুবাস্তু টাওয়ারের বিপরীতে) থেকে ঢাকা-১৭ আসনে এরশাদের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা ও শো-ডাউনে অংশ নেয়ার কথা রয়েছে দলীয় নেতৃবৃন্দের। কিন্তু এরই মধ্যেই ঢাকা-১৭ আসনে থেকে এরশাদের সরে যাওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া গেলো। এ বিষয়ে জানতে চাইলে জাতীয় পার্টির নির্বাচনী সেলের প্রধান ও প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন খান বলেন, এ বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। এইচ এম এরশাদ চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর রয়েছেন। তিনি দেশে ফিরলেই সবকিছু জানা যাবে।

তবে জাতীয় পার্টির একজন প্রেসিডিয়াম সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ঢাকা-১৭ এবং ময়মনসিংহ-৭ ছাড়াও আরও বেশ কিছু আসন থেকে সরে আসার ব্যাপারে দলে আলোচনা চলছে। ২২ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুর থেকে ফিরে এরশাদ নিজেই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবেন।

তবে ঢাকা-১৭ আসন থেকে এরশাদের সরে যাওয়া নিয়ে জাতীয় পার্টির মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা বা চেয়ারম্যানের বিশেষ সহকারী এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার কোনো কথা বলেননি। তবে মাঝারি সারির নেতাদের অনেকেই এ নিয়ে আলোচনা করছেন।