ঢাকা ১৮ আসনের আ.লীগের নির্বাচিত প্রার্থী সাহারা খাতুনের সাথে কথোপকথন

সাহারা খাতুন দেশের একজন জনপ্রিয় রাজনীতিবিদ ও সাবেক মন্ত্রী। এছাড়াও তিনি একজন সংসদ সদস্য। পাশাপাশি আওয়ামী লীগের আইন সচিব ছিলেন। সাবেক স্বরাষ্ট্র ও ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী। বর্তমানে ঢাকা ১৮ আসনের নির্বাচিত এম পি ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য। 

তিনি ১লা মার্চ ১৯৪৩ সালে ঢাকার কুর্মিটোলার জন্ম গ্রহণ করেন। তার পিতা-মাতা হলেন আব্দুল আজিজ ও টুরজান নেসা। তিনি বি.এ এবং এল.এল. বি ডিগ্রী আর্জন করেন। তিনি আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, বাংলাদেশ আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, এবং বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক। এছাড়াও তিনি আন্তর্জাতিক মহিলা আইনজীবী সমিতি ও আন্তর্জাতিক মহিলা জোটের সদস্য। তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে একজন আইনজীবী হিসেবে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন।

ছাত্র জীবনেই সাহারা খাতুন রাজনীতিতে যুক্ত হন। তিনি হলেন কল্যাণমূলক রাজনীতির অগ্রদূত ও শেখ হাসিনার প্রিয় ব্যক্তি। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় সাহারা নিজে রাজনৈতিক অপরাধে অভিযুক্ত হয়েছিলেন। সে সময় সাহারা খাতুন গ্রেফতার হন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে।

বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচন, ২০০৮ এর নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জোয় লাভ করলে তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে ঢাকা-১৮ হতে নির্বাচিত হন। তিনি নির্বাচিত হয়ে জনগণকে তার দেয়া প্রতিশ্রুতি সরূপ সড়ক পুননির্মাণ ও ড্রেন সংস্করণের কাজ সম্পন্ন করা সহ বহু উন্নয়ন মূলক কাজ সম্পন্ন করেছেন। সে সময় তিনি বাংলাদেশ সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী মনোনীত হন। তিনি ৬ ই জানুয়ারি ২০০৯ সালে তার দফতরে প্রবেশ করেন। ২০১২ সালে মন্ত্রণালয়ের রদবদল ঘটলে তিনি বাংলাদেশ সরকার এর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হতে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহন করেন।

২০০৯ সালের সময় বিডিআর বিদ্রোহ শুরু হলে তিনি দ্বন্দ্ব সমাধানে নেতৃত্ব করেন। বিদ্রোহীদের খারাপ দিকটার সুরাহা করেন, যেটা সৈনিকদের পক্ষে ও বাংলাদেশ রাইফেল অফিসারদের বিরুদ্ধে। যারা বাংলাদেশের আধাসামরিক সীমান্ত রক্ষী বাহিনী। তিনি সেখানে বাংলাদেশ রাইফেল এর ক্যাম্পাসের নিকট গিয়েছিলেন। তাদের মাঝে আপসের জন্য উদ্দীপনা মূলক কথা বলেন এবং বিদ্রোহীদের অস্ত্র জমা দিতে বলেন।