অবশেষে নিশ্চিত হলো খাতুনের নিরাপদ আশ্রয়!

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জের উত্তর পাড়া এলাকায় স্থায়ীভাবে বসবাসকারী খাতুনের অসহায়ত্ব নিয়ে স্থানীয় সংবাদকর্মী রনি মিয়াজি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে প্রথম বিষয়টি প্রকাশ করেন।  এর পরই ছিন্নমূল এই নারীর বিষয়টি অনেকের নজরে পড়ে।

অবশেষে নিশ্চিত হলো খাতুনের নিরাপদ আশ্রয়!

খাতুনের ভাঙ্গা ঘরে কোন ভাবে রাত্রি যাপনের বিষয়টি ফেইসবুকে তুলে ধরার পর তার জন্য নিরাপদ আশ্রয় তৈরির লক্ষ্যে এর সাথে যুক্ত হোন অপর দুই স্থানীয় সংবাদকর্মী রাহাত হাসান রনি ও নাজমুস সাকিব মুন।

এর পর থেকে তিন জন সংবাদকর্মী খাতুনের পাশে দাঁড়াতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিি ও সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার অনুরোধ জানান।

তাদের অনুরোধে অল্প কিছু দিনের মধ্যে অনেকেই সহযোগিতার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেন। ঘর নির্মাণের জন্য ঢেউ টিন, কংক্রিটের পিলার, টিউবওয়েল, স্যানিটারি ল্যাট্রিনসহ নগদ অর্থ সহায়তা সংগ্রহ করা হয়।

স্বামী মারা যাওয়ার পর মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত খাতুন দীর্ঘ দিন থেকে একমাত্র ছেলেকে নিয়ে তার উকিল পিতা খয়রুল ইসলামের জমিতেই অস্থায়ীভাবে বাস করছিলেন। তবে এবার সকলের অনুরোধে খয়রুল স্থায়ীভাবে ঘর নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় নিষ্কণ্টক জমি প্রদান করেন।

সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া গৃহনির্মাণ কাজ সপ্তাহ খানেকের মধ্যে শেষ হয়েছে।আজ খাতুনও তার একমাত্র ছেলে নতুন ঘরে উঠবে।

ঘর নির্মাণ কাজ শেষ হলেও খাতুনের ১৫ বছর বয়সী একমাত্র উপার্জনক্ষম ছেলের এখনও স্থায়ী আয়ের কোন ব্যবস্থা না হওয়ায় পরিবারটির অনিশ্চয়তা এখনও রয়ে গিয়েছে। ছেলেটির আয় নিশ্চিত করতে এবং স্থায়ী কাজের ব্যবস্থা করে দেওয়ার জন্য সকলের সহযোগিতা চেয়েছেন ছেলেটির অভিভাবক খয়রুল ইসলাম।

 

নাজমুস সাকিব মুন, পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধিঃ