‘দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনাই বিএনপির সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ’

শনিবার রাজধানীর শেরে বাংলানগরে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধি সৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনাই বিএনপির সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

মির্জা ফখরুল বলেন, ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই দিনে বিএনপির সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনা।

তিনি বলেন, আজকের এই দিনটি বিএনপির জন্য কোনো উৎসবের দিন নয়। দুঃখ ভারাক্রান্ত হৃদয় নিয়ে দলের প্রতিষ্ঠাতার মাজারে শ্রদ্ধা জানাতে এসেছি। আমাদের দলের চেয়ারপারসন আপসহীন নেত্রী খালেদা জিয়া কারাগারে। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানও মিথ্যা মামলায় নির্বাসিত। তাদের ছাড়াই আমরা আজ এখানে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে এসেছি।

‘আজকের এই দিনে আমরা শপথ করব, এই সরকারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের। এই ফ্যাসিস্ট, গণতন্ত্রবিরোধী, সমাজবিরোধী সরকার বাংলাদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ও সমস্ত অধিকার কেড়ে নিয়েছে। রাষ্ট্রের সব সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দিয়েছে।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, অবৈধ সরকার জবরদস্তি মূলকভাবে ক্ষমতায় বসে মানুষের সব অধিকার হরণ করেছে। আজকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আমাদের শপথ হচ্ছে, এই দানবকে অপসারণ করে, দুঃশাসনকে অপসারণ করে গণতন্ত্র ও দেশনেত্রীকে মুক্ত করার জন্য এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।

এসময় বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মওদুদ আহমেদ, আবদুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান রুহুল আলম চৌধুরী, আলতাব হোসেন চৌধুরী, শামসুজ্জামান দুদু, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, আহমদ আযম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, আবদুস সালাম, হাবিবুর রহমান, তৈয়মুর আলম খন্দকার, ফরহাদ হালীম, যুগ্ম মহাসচিব মাহবুব উদ্দীন খোকন, খায়রুল কবির খোকন, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী, সমাজকল্যাণ-বিষয়ক সম্পাদক কামরুজ্জামান রতন, আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক মাসুদ আহমেদ তালুকদার, প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক এ বি এম মোশাররফ হোসেন, ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, সহসাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল আউয়াল খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি দেওয়ান মো. সালাউদ্দীন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার, সহসভাপতি নবী উল্লাহ নবী, মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস, সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হেলেন জেরীন খান, যুবদলের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মোর্তাজুল করিম, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু, সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েল, সহসভাপতি গোলাম সরোয়ার, মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান, শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন, ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সভাপতি এস এম জাহাঙ্গীর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।