শারীরিক হেনস্থার অভিযোগ ‘ইন্ডিয়ান আইডল’ প্রতিযোগীর, সঞ্চালিকার সমর্থন

জনপ্রিয় টিভি শো ‘ইন্ডিয়ান আইডল’-এর ২০১২ সালের প্রতিযোগী নিশান্ত কৌশিক শারীরিক হেনস্থার শিকার হয়েছিলেন জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়ে অভিযোগ করেন। আর তার এই অভিযোগে সায় দিয়েছেন শোটির সাবেক সঞ্চালিকা মিনি মাথুর।

‘ইন্ডিয়ান আইডল’-এর সাবেক এই প্রতিযোগী জানান- ‘ইন্ডিয়ান আইডল’-এ তিনি ২০১২ সালের প্রতিযোগী ছিলেন। ওই সময় তাকে শারীরিক নিগ্রহের শিকার হতে হয়েছিল। অডিশনের ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার কথা সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে তিনি লিখেছেন- ‘নিজের স্বপ্নকে ধ্বংস করার প্ল্যাটফর্ম ইন্ডিয়ান আইডল। আমি সাতটার সময় অডিশনের লাইনে দাঁড়াই। দরজা খোলে দুপুর একটায়। অনেকে ভোর পাঁচটা থেকে লাইন দিয়েছিল। কেউ বা আগের দিন রাত থেকে ছিল ওখানে। কারণ আমাদের বলা হয়েছিল আগে আসার ভিত্তিতে অডিশন দেয়ার সুযোগ পাওয়া যাবে। কিন্তু কেন দেরি হলো, তা আমাদের জানানোর প্রয়োজন মনে করেননি কেউ।’ তিনি আরও অভিযোগ করেন, দীর্ঘ সময় প্রতিযোগীরা লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন। কিন্তু তাদের জন্য খাবার, পানি বা বাথরুমের ব্যবস্থা ছিল না। সকলেই ট্যালেন্টেড নন। ফলে যারা গান গাইতে পারেন না, তাদেরও বিচারকদের কাছে পাঠানো হয়েছিল। যাতে সেই সব প্রতিযোগীদের নিয়ে বিচারকরা মজা করতে পারেন। এমনকি খারাপ গান গাইলে প্রতিযোগীদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহারের অভিযোগও তুলেছেন নিশান্ত। অর্থাৎ পরোক্ষে অভিযোগের আঙুল উঠেছে বিচারকদের দিকেও। তবে ‘ইন্ডিয়ান আইডল’-এর পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কেউ এ নিয়ে মুখ খোলেননি।

অন্যদিকে নিশান্তের বক্তব্যকে সমর্থন জানিয়ে সঞ্চালিকা মিনি মাথুর লিখেছেন, ‘আমি ২০১২-তে ‘ইন্ডিয়ান আইডল’-এ যুক্ত ছিলাম না। কিন্তু আমি জানি, ও (নিশান্ত) যেটা বলছে সেটা সত্য। কারণ বেশিরভাগ রিয়ালিটি শোতে এটাই হয়। আমার রিয়ালিটি শো ছেড়ে দেয়ার অনেক কারণের মধ্যে এটাও একটা।’

উল্লেখ্য, ২০১২-এ তৃতীয় রাউন্ড থেকে বিদায় নেন নিশান্ত। আর ২০১২ তে বিচারকের দায়িত্বে ছিলেন অনু মালিক, সুনিধি চৌহান এবং সালিম মার্চেন্ট।