বাদ যায়নি প্রশাসন সহ বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের গাড়ি!

রাজধানীর বিমান বন্দর সড়কের কুর্মিটোলা এলাকায় জাবালে নূর বাসের চাপায় শহীদ রমিজ উদ্দিন কলেজের দুই শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় নৌমন্ত্রীর পদত্যাগ, নিরাপদ সড়ক ও ঘাতক চালকদের দ্রুত বিচার ও ফাঁসির দাবিতে অবরোধ করেছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। রাস্তার মধ্যে প্রতিটি গাড়ি আটকে ফিটনেস ও লাইসেন্স চেক করেছে শিক্ষার্থীরা।

শুধুমাত্র সাধারণ গাড়ি নয়, প্রশাসন সহ বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের গাড়ি আটক করে তাদের গাড়ির ফিটনেস ও লাইসেন্স চেক করেছে শিক্ষার্থীরা। এমন অসংখ্য কর্মকর্তা কর্মচারীদের গাড়ি রয়েছে যা ফিটনেস ও ড্রাইভার লাইসেন্স বিহীন।

এমনকি নিরাপদ সড়কের দাবিতে রাস্তায় নামা বিভিন্ন স্কুল-কলেজ-ভার্সিটির শিক্ষার্থীরা “বি.জি.বি.মহাপরিচালক”- এর গাড়ি থামিয়ে গাড়ির কাগজপত্র দেখতে চাইলে তিনি তা দেখাতে ব্যর্থ হন; এমন কি গাড়ির চালক তার ড্রাইভিং লাইসেন্সও দেখাতে পারেন নি।

দেখাতে পারেননি পুলিশ, আর্মি এবং প্রধান বিচারপতির গাড়ির চালকও তার ড্রাইভিং লাইসেন্সও দেখাতে পারেন নি। এমনকি গাড়ির কাগজ পত্রতেও গণ্ডগোল ছিল বলে জানা যায়।

এদিকে রাস্তা বন্ধ থাকায় কর্মস্থল ও বিভিন্ন গন্তব্যে যেতে ভোগান্তিতে পড়ে বিভিন্ন এলাকার মানুষ। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ছাত্রদের বুঝিয়ে সড়ক খুলে দেয়ার জন্য কয়েক দফা চেষ্টা চালিয়েও ব্যর্থ হন। বিপুল সংখ্যক মানুষকে হেঁটে গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে।