রাষ্ট্রীয় নিমন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রে যেতে দেয়া হলো না ইমরান এইচ সরকারকে

শুক্রবার সন্ধ্যায় বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশনসহ সব প্রয়োজনীয় কাজ শেষে প্লেনে ওঠার পর সেখান থেকে ফেরত পাঠানো হয় গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকারকে।যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট আয়োজিত ইন্টারন্যাশনাল ভিজিটর লিডারশিপ প্রোগ্রামে (আইভিএলপি) আমন্ত্রণে চার সপ্তাহের জন্য দেশটিতে যাওয়ার কথা ছিল তার।

যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট আয়োজিত ইন্টারন্যাশনাল ভিজিটর লিডারশিপ প্রোগ্রাম এবং ‘ইউনাইটেড স্টেটস ব্যুরো অব ডেমোক্রেসি অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস’ আয়োজিত আরেকটি সম্মেলনে বক্তব্য দেওয়ার জন্য আমন্ত্রিত হয়েছিলেন ইমরান এইচ সরকার। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বিমানে ওঠার পর তাকে আটকে দেওয়া হয়েছে। ইমরান এইচ সরকার জানান, এমিরেটাস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তার যাওয়ার কথা ছিল। এজন্য তিনি বিকেল ৪টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। বোর্ডিং পাশ নিয়ে তিনি ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন। নির্দিষ্ট সময়ে তিনি বিমানের ভেতরে নিজ আসনে বসলে একজন পুলিশ কর্মকর্তা তাকে সেখান থেকে ডেকে বের করে নিয়ে আসেন। পরে তার সঙ্গে দীর্ঘ সময় নিয়ে আমেরিকা যাওয়ার কারণ নিয়ে কথা বলেন। এরমধ্যে বিমান ছেড়ে যায়। পরে ওই পুলিশ কর্মকর্তা তাকে উপরের নির্দেশে যুক্তরাষ্ট্র যাত্রা বাতিল করা হয়েছে বলে জানায়।

ইমরান আরও জানান- ‘আমার ইমিগ্রেশন কমপ্লিট হয়ে গিয়েছিল, পুলিশ আমাকে এটাও নিশ্চিত করেছিল যে আমার বিরুদ্ধে কোন ট্রাভেল ব্যান ছিল না, আমার বিরুদ্ধে কোন মামলাও নাই, সুতরাং আইনগত কোন ভিত্তিই ছিল না আমাকে বাঁধা দেয়ার এটা কোন ভাবেই রাষ্ট্রের শোভনীয় আচরণ নয়। প্রথমত এটা একজন নাগরিকের অধিকার লঙ্ঘন করা, দ্বিতীয়ত আমি একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে যাচ্ছিলাম যা ছিল একটি রাষ্ট্রীয় নিমন্ত্রণ, সেখানে যাওয়ার সময় আমাকে বেআইনিভাবে বাঁধা দেয়াটাকে আমি মনে করি ব্যক্তিস্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপ এবং এটা অসংবিধানিক।’

 

রাষ্ট্রীয় নিমন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রে যেতে দেয়া হলো না ইমরান এইচ সরকারকে