উন্নয়নের স্বার্থে যুবদলের সভাপতি ভোট দেবেন আ.লীগ মেয়র প্রার্থীকে!

রাজশাহী সিটি নির্বাচনে যুবদলের সাবেক সভাপতি মনির হোসেন নগরীর উন্নয়নের স্বার্থে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটনকে ভোট দেবেন বলেন জানান। সিটি নির্বাচনে শাসক দলের প্রার্থী খায়রুজ্জামান লিটনের ফেসবুকের একটি পোস্টের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে মনির হোসেন এ কথা জানান।

রাজশাহী সিটি করপোরেশনের ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও ওয়ার্ডের যুবদলের সাবেক সভাপতি মনির হোসেন আশা প্রকাশ করেছেন, আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন মেয়র নির্বাচিত হলে তিনি তাঁর উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারবেন। সিটি নির্বাচনে শাসক দলের প্রার্থী খায়রুজ্জামান লিটনের ফেসবুকের একটি পোস্টে এমনি একটি প্রতিবেদন ও ছবি তুলে ধরা হয়েছে। ছবিতে দেখা যায়, নগর আওয়ামী লীগের ১৮ নম্বর ওয়ার্ড কার্যালয়ে লিটনের সঙ্গে হাত মেলাচ্ছেন মনির।

উন্নয়নের স্বার্থে যুবদলের সভাপতি ভোট দেবেন আ.লীগ মেয়র প্রার্থীকে!

সেখানে বলা হয়েছে, গতকাল শুক্রবার আওয়ামী লীগের ওই কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে মনির বলেছেন, নগরীর উন্নয়নের স্বার্থে তিনি লিটনকে ভোট দেবেন। ফেসবুক পোস্টটির বিষয়ে মনির হোসেন বলেন, গতকাল নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে খায়রুজ্জামান লিটনের সঙ্গে তাঁর দেখা হয়। লিটন তাঁর কাছে ভোট চাইলে তিনি ‘দেখবেন’ বলে আশ্বাস দেন। আজ মনির হোসেন বলেন, সাড়ে চার বছর ধরে এ ওয়ার্ডের কাউন্সিলরের দায়িত্বে রয়েছেন তিনি। তাঁর ওয়ার্ডটি অবহেলিত। নগরের একেবারে প্রান্তিক পর্যায়ে এ এলাকার অবস্থান। তিনি বলেন, বিএনপির মেয়র নির্বাচিত হওয়ার কারণে তিনি গত সাড়ে চার বছরে এলাকার সমস্যার কোনো সমাধান করতে পারেননি। আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন মেয়র নির্বাচিত হলে তিনি তাঁর উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারবেন। মনির হোসেন বলেন, ভবিষ্যতে নির্বাচিত হলে এলাকার উন্নয়নে পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাব। লিটন ভাই মেয়র নির্বাচিত হলে সমস্যাগুলোর সমাধান করা ব্যাপার না। তিনি মেয়র হলে উন্নয়ন হবে।

এ ওয়ার্ডে ভোটযুদ্ধে অবতীর্ণ কাউন্সিলর প্রার্থীদের একজন ছাড়া সবাই বিএনপি সমর্থক। এ ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ-সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থীর নাম মনিরুজ্জামান (ঘুড়ি)। অন্য প্রার্থীরা হলেন বর্তমান কাউন্সিলর মনির হোসেন (মিষ্টি কুমড়া), সাবেক কাউন্সিলর মো. মাসুদ (টিফিন ক্যারিয়ার), মকসেদ আলী (ট্রাক্টর), ফাইজুল হক ফাহি (রেডিও), আবদুল মোমিন ওয়াহিদ হিরো (লাটিম), আবদুল্লাহ-আল-মোস্তফা (ঝুড়ি) ও শহিদুল ইসলাম (ঠেলাগাড়ি)।