আলীকদমে দরিদ্র ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের ঢেউটিন ও নগদ অর্থ আত্মসাৎ

আলীকদম ১নং সদর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের সদস্য সন্তোস কান্তি দাশের আত্মসাৎ করা ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দকৃত দরিদ্র ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে বিতরণ করা তিন বান ঢেউটিন  আমতলী পাড়া আনছারু বেগমের বাড়ী থেকে উদ্ধার করেন স্থানীয় ও আলীকদম থানা পুলিশ।

আনছারু বেগম বলেন, আমিও একবান ঢেউটিন ও নগদ পেয়েছিলাম, আমার আরো  ঢেউটিন প্রয়োজন হওয়ায় আমি পূর্ব  পরিচিত ১নং আলীকদম ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের সদস্য সন্তোষ কান্তি দাশকে  কেউ ঢেউটিন বিক্রি করলে আমাকে জানাতে বলি। তিনি আরো বলেন  প্রতিবান ঢেউটিন তিন হাজার টাকা দিতে পারলে টিন পাওয়া যাবে এবং সন্তোষ কান্তি দাশ টাকা নিয়ে ঢেউটিন আনতে যেতে বলেন, সে অনুযায়ী টাকা নিয়ে আমি আমার  ছেলে ও একজন টমটম চালককে উক্ত তিনবান ঢেউটিনের জন্য পাঠান বলে জানান।

জানা যায় যে, আলীকদম সরকারী আদর্শ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে গত ৬/০৭/০১৮ ইং রোজ শুক্রবার বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এম পি বহন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত দরিদ্রের মাঝে ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রনালয়ের বরাদ্দকৃত উক্ত ঢেউ টিন ও নগদ অর্থ বিতরণ করেছেন।

এদিকে গোলতাজ বেগম স্বামী  আমিরুর জামান নামে  এক মহিলা সন্তোষ কান্তি দাশের বিরুদ্ধে আলীকদম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট নগদ অর্থ ও ঢেউটিন জোর পুর্বক আত্মসাতের  অভিযোগ করেন।

উক্ত বিষয়ে গোলতাজ বেগম বলেন আমার প্রাপ্ত অর্থ ২নং ওয়ার্ডের সদস্য সন্তোষ কান্তি দাশের নির্দেশে সন্তোষ কান্তি দাশের ভাই স্বপন আমার  কাছ থেকে কেড়ে নিয়ে নেয় এবং আমার নামে বরাদ্দকৃত ঢেউটিন আমাকে না দিয়ে অন্যত্র সন্তোষ কান্তি দাশ বিক্রি করে দেন ।তিনি আরো বলেন , আমি উক্ত বিষয়ে  প্রতিবাদ করায় আমাকে মারতে ও নানা ধরনের হুমকি দিচ্ছে বলে তিনি জানান।

উক্ত বিষয় ১নং আলীকদম ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের সদস্য সন্তোষ কান্তি দাশের সাথে অনেকবার মোবাইলে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয় নি।

উক্ত বিষয়ে আলীকদম থানার উপ-পরিদর্শক সাধন চন্দ্র নাথ  বলেন, ঘটনাস্থল থেকে ঢেউটিন জব্দ ও একজনকে আটক করা  হয়েছে এবং ১নং আলীকদম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জামাল উদ্দিন বাদী হয়ে মামলা করা হয়েছে, মামলা নং ০২ বলে তিনি জানান।

 

জয় দেব, আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি