ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের পলেস্তারা ধ্বসে পড়লো সেবিকার মাথায়!

ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের ছাদের পলেস্তারা ধ্বসে রোকেয়া খাতুন নামে এক সিনিয়র নার্স আহত হয়েছেন। শনিবার দুপুরে মহিলা মেডিসিন বিভাগে এ ঘটনা ঘটে। আহত সেবিকাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

আহত সেবিকা রোকেয়া খাতুন জানান, তার ঘাড়ে আঘাত লেগেছে। রুগীদের ঔষধ দেওয়ার সময় ছাদের পলেস্তারা তার গায়ের উপর খসে পড়ে।

সদর হাসাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা: অপূর্ব কুমার সাহা খবরের সত্যতা স্বীকার করে জানান, মহিলা মেডিসিন ওয়ার্ডে রুগীদের ঔষধ দিচ্ছিল ওই ওয়ার্ডের ইনচার্জ সেবিকা রোকেয়া খাতুন। এ সময় দ্বিতল ভবনের ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে। এতে তার ঘাড়ে আঘাত লাগে। এ সময় রোগী ও তাদের স্বজনদের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। সেবিকা রোকেয়াকে প্রাথমকি চিকিৎসা দেওয়া হয়।

আবাসিক মেডিকেল অফিসার আরো জানান, হাসপাতালের জরুরী বিভাগ, মহিলা মেডিসিন, পুরুষ মেডিসিনসহ কয়েকটি বিভাগের ছাদের পলেস্তারায় ফাটল দেখা দিয়েছে। মুলত হাসপাতালের ২৫০ শয্যার নতুন ভবনের পাাইলিং করার সময় মেশিনের প্রচন্ড ঝাকুনিতে এ ফাটলের সৃষ্টি হয়েছে। তবে আমরা চেষ্টা করছি ক্ষতিগ্রস্থ ছাদ মেরামতের জন্য।

বিষয়টি নিয়ে ঝিনাইদহ গনপুর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ কায়সার ইবনে সাঈখ জানান, আমরা ভবনগুলো ঝুকিপুর্ন হিসেবে চিহ্নিত করে এক বছর আগেই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছে। এরপরও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ঝুকিপুর্ন ভবনে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। চিঠিতে কোন রকম জীবনহানী ঘটলে গনপুর্ত বিভাগ দায়ী থাকবে না বলেও উল্লেখ করা হয়। এই চিঠি স্বাস্থ্য সচিবকেও দেওয়া হয়।

তিনি আরো জানান আমরা হাসপাতালের পুরানো ভবন মেরামতের জন্য বরাদ্দ চেয়েছিলাম, কিন্তু তা মঞ্জুর করা হয়নি।

জাহিদুর রহমান তারেক, ঝিনাইদহ প্রতিনিধি