অচলাবস্থায় বাংলাবান্ধা স্থল বন্দর, সরকার হারাচ্ছে কোটি টাকার রাজস্ব

দেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা স্থল বন্দর দেশের সম্ভাবনাময় নতুন দিগন্ত উম্মোচন করেছে। অপার সম্ভাবনাময় এই বন্দরটির সকল সম্ভাবনা আজ ফিকে হতে চলেছে। বন্ধ হওয়ার পথে সর্ব উত্তরের এই স্থল বন্দরটি। যার ফলে সরকারি কোষাগার হারাচ্ছে কোটি টাকার রাজস্ব।

বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ চলতি বছরের ১৪ মে থেকে ইজারাদার প্রতিষ্ঠানের অধীনে পণ্য লোডিং-আনলোডিং এর জন্য আমদানীকারকদের নিকট থেকে প্রতি টন পণ্য ১০৪ টাকা হারে মূল্য নির্ধারণ করে।

তবে কর্তৃপক্ষ পণ্য লোডিং-আনলোডিং এর জন্য নির্ধারিত মূল্য রাখলেও বাংলাদেশি ট্রাকগুলো থেকে শুধুমাত্র পণ্য নামিয়ে দিচ্ছেন। আমদানীকারকদের ট্রাকে পণ্য লোডিং এর জন্য বাধ্য হয়ে শ্রমিকদের পারিশ্রমিক প্রদানে বাড়তি টাকা প্রদান করতে হচ্ছে।

সকল সম্ভাবনা আজ ফিকে হতে চলেছে। বন্ধ হওয়ার পথে সর্ব উত্তরের এই স্থলবন্দরটি।যার ফলে সরকারি কোষাগার হারাচ্ছে কোটি টাকার রাজস্ব।

বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ চলতি বছরের ১৪ মে থেকে ইজারাদার প্রতিষ্ঠানের অধীনে পণ্য ওঠা-নামার জন্য ব্যবসায়ীদের নিকট থেকে প্রতি টন পণ্য ১০৪ টাকা হারে মূল্য নির্ধারণ করে।

তবে কর্তৃপক্ষ পণ্য লোডিং-আনলোডিং এর জন্য নির্ধারিত মূল্য রাখলেও বাংলাদেশি ট্রাকগুলো থেকে শুধুমাত্র পণ্য আনলোডিং করে দিচ্ছেন। আমদানিকারকদের ট্রাকে পণ্য লোডিং এর জন্য বাধ্য হয়ে শ্রমিকদের পারিশ্রমিক প্রদানে বাড়তি টাকা প্রদান করতে হচ্ছে।

২৩ জুন আমদানীকারকরা বন্দর কর্তৃপক্ষকে লোডিং এর জন্য আদায়কৃত টাকা ফেরত দিতে ৭২ ঘণ্টা সময় বেঁধে দেন।

নির্ধারিত ৭২ ঘণ্টা সময় অতিবাহিত হলেও কর্তৃপক্ষ এখনো কোন টাকা ফেরত দেয় নি। ২৭ জুন বুধবার লোডিংয়ের টাকা ফেরতের দাবীতে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে পাথর আমদানীকারকরা । বুধবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এই কর্মসূচী পালন করনে আমদানীকারকরা।

আমদানিকারকদের সাথে কথা হলে তারা জানান, তাদের ন্যায্য দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা আমদানি কার্যক্রম শুরু করবনে না।

নাজমুস সাকিব মুন, পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি