কোটা সংস্কার, আবারও আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা

কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এতে আন্দোলনকারীদের প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল হক নুরসহ অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে নুরুল হক নুরর অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।

 

অনন্যা আহতরা হলেন- সাদ্দাম হোসেন, আতাউল্লাহ, মাসুম, নূরুল হক, আব্দুল্লাহ, হায়দার ও সাহেদ। তাদের বয়স ২৫ থেকে ২৭ এর মধ্যে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তাকে রাস্তায় ফেলে মারধর করা হয়েছে। তাদের হাত থেকে বাঁচতে তিনি উঠার চেষ্টা করলেও তাকে টেনে-হিঁচড়ে মারা হয়েছে। মারধরে শতাধিক ছাত্রলীগ নেতা অংশ নেন।

এমনকি কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের কর্মচারীরা তাকে গ্রন্থাগারের ভেতর নিয়ে গেলে সেখানে ঢুকেও তাকে মারা হয়। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। মারধরে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয়, বিশ্ববিদ্যালয় ও হলের নেতাকর্মীরা অংশ নেন বলে জানা গেছে।

সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খানের ভাষ্য, আজ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সূর্যসেন হল থেকে পরিষদের আরেক যুগ্ম আহ্বায়ক মশিউর রহমানকে ছাত্রলীগের কয়েকজন তুলে নিয়ে গেছেন। তাঁর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। তাঁকে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে রাখা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ছাত্রলীগের হামলায় তাঁদের ১২-১৩ জন কর্মী আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এর মধ্যে যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল হক, আতাউল্লাহ, আরিফ, মামুন ও জসিমের নাম বলেন তিনি।

এর আগে হামলার বিষয়ে জানতে চাইলে পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খান বলেন, ‘বেলা ১১টার দিকে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা আমাদের ওপর পিস্তল ও রামদা নিয়ে হামলা চালায়। আমরা তাদের কাছে এটা প্রত্যাশা করিনি।’ রাশেদ খান ওই সময় আরও বলেন, সংবাদ সম্মেলনের বিষয়ে পরে জানানো হবে।