কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সাংসদের বিরুদ্ধে দুদকের তদন্ত
কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সাংসদ (রৌমারী-রাজীবপুর) রুহুল আমিনের অনিয়ম ও দুর্নীতি তদন্তে মাঠে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ২০ মে থেকে শুরু হয়েছে এ তদন্তকাজ। আগামী ৬ জুনের মধ্যে তদন্তকারী দলকে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে তদন্ত প্রতিবেদনও পাঠাতে বলা হয়েছে। 
সাংসদ রুহুল আমিন জাতীয় পার্টির (জেপি) থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য। দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত জেলা কার্যালয় রংপুর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
অভিযোগের সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায় বিভিন্ন প্রকল্পে অনিয়ম, দুর্নীতি ও ঘুষ গ্রহণের মাধ্যমে বিভিন্ন শিক্ষক কর্মচারী নিয়োগ দিয়ে ১০ কোটি টাকা আত্মসাত; নতুন সংযোগ পাইয়ে দিতে গ্রাহকদের নিকট থেকে ১০ কোটি টাকা চাঁদা উত্তোলন পূর্বক আত্মসাত করে জ্ঞাতআয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়াও সাংসদ ব্যক্তিগত স্বার্থে তার গ্রামের বাড়ি জিঞ্জিরাম নদীর কবল থেকে রক্ষার নামে জলবায়ু তহবিলের প্রায় কোটি টাকা খরচ করে। এমপি কোটায় শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানি করেও ব্যবহার না করে পরে তা কাছে বিক্রি করে ব্যবসা করছেন।
দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত রংপুর জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোজাহার আলী সরদার বলেন, বিভিন্ন সময় পত্রিকায় কুড়িগ্রাম-৪ আসনের এমপি রুহুল আমিনের নামে অনিয়ম দুর্নীতির খবর প্রকাশিত হয়। দুদকের প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সেই খবর গুলোকে সূত্র হিসেবে ধরে আমরা ওই তদন্তের উদ্যোগ নিয়েছি।
মোঃ মনিরুজ্জামান, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি